১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চামড়া শিল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ ইতালির

বাংলাদেশে বিপুল চামড়া উৎপাদিত হলেও পরিবেশগত মাপকাঠির কারণে ইউরোপে তা ভালো অবস্থান তৈরি করতে পারছে না বলে জানিয়েছেন ইতালির শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Jul 2023, 09:00 PM

Updated : 13 Jul 2023, 09:00 PM

বাংলাদেশে চামড়াজাত পণ্য তৈরিতে ইতালি বিনিয়োগ করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন দেশটির শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মাতিয়া ভেনচুরা।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

মাতিয়া বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সাফল্যে আকৃষ্ট হয়ে ইতালি বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহী।

“বিশ্বে ইতালির চামড়াজাত পণ্যের যে বিপুল বাজার তা প্রসারিত করতে ইতালি বাংলাদেশে বিনিয়োগের কথা ভাবছে। যার ফলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৈচিত্র্য তৈরি হবে এবং ইতালিও লাভবান হবে।”

সে ক্ষেত্রে ইতালি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কেবল ঢাকা কেন্দ্রিক না হয়ে চট্টগ্রামকেও গুরুত্ব দিতে চায় বলে মন্তব্য করেন মাতিয়া।

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নে চামড়াজাত পণ্য রপ্তাণির ক্ষেত্রে পরিবেশগত মাপকাঠি উৎরাতে না পেরে বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্য ইউরোপে ভালো অবস্থান তৈরি করতে পারছে না। অথচ প্রতি বছর বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ চামড়া উৎপাদিত হয়।

বাংলাদেশের ইতালি প্রবাসী শ্রমিকদেরও প্রশংসা করে তিনি বলেন, “ইতালিতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছেন। বাংলাদেশি শ্রমিকরা এত দক্ষ যে ইতালির জাহাজ নির্মাণ খাতে সবচেয়ে প্রাধান্য পাচ্ছে বাংলাদেশি শ্রমিকরা। একারণে ইতালি বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করে ভিসা প্রদানের হার বাড়িয়েছে।”

Image

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীর (বায়ে) সঙ্গে ইতালির শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মাতিয়া ভেনচুরা বৃহস্পতিবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, “চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হওয়ায় এখানে শিল্পায়নের যে বিপুল সুযোগ রয়েছে তা গ্রহণ করতে পারে ইতালি।

“বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক সম্ভাবনার প্রসারে আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পুরো নগরীর অবকাঠামোখাত সংস্কার করছেন এবং আরো বেশ কিছু প্রকল্পের মাধ্যমে নগরী ও বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করছেন। ইতালি এই উন্নত অবকাঠামো কাজে লাগিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে।”

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, আবুল হাসনাত মো. বেলাল, সিসিসি’র সচিব খালেদ মাহমুদ, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।