১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কোরবানির বর্জ্য সরবে বিকাল ৫টার মধ্যেই: ঘোষণা চট্টগ্রামের মেয়রের

৪১টি ওয়ার্ড থেকে কোরবানির বর্জ সরাতে ঈদের দিন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার সময়সীমা ঠিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহাদাত হোসেন।

কোরবানির বর্জ্য সরবে বিকাল ৫টার মধ্যেই: ঘোষণা চট্টগ্রামের মেয়রের
ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Jun 2025, 07:25 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:51 PM

ঈদের দিন বিকাল ৫টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি)।

সোমবার বিকালে নগরীর টাইগারপাসে অস্থায়ী নগর ভবনে সিসিসির পরিচ্ছন্ন বিভাগের সঙ্গে প্রস্তুতি সভায় মেয়র শাহাদাত হোসেন এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। 

শাহাদাত হোসেন বলেন, “আমাদের টার্গেট, ঈদের দিন ৫টার মধ্যে পুরো নগরী পরিষ্কার করে একটি পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করা।”

৪১টি ওয়ার্ড থেকে কোরবানির বর্জ সরাতে ঈদের দিন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার সময়সীমা ঠিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র।  এই কাজে ৩৬৯টি গাড়ি নিয়ে প্রায় ৪ হাজার ২০০ কর্মী নিয়োজিত থাকবেন।

শাহাদাত বলেন, বর্জ্য অপসারণের জন্য ডাম্প ট্রাক, কম্পেক্টর, পে লোডার কাজ করবে। কোনো কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়লে জরুরি চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিকেল টিমও প্রস্তুত থাকবে।

কোরবানির চামড়া নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, “বাইরের চামড়া নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নগরীতে প্রবশ করতে পারবে না। জবাইয়ের স্থান পরিষ্কার রাখতে হবে এবং রক্ত-পানি যাতে ড্রেনে পড়ে না যায় সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। এসব অনিয়ম দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

“চামড়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত লবণ ও ইকো-ফ্রেন্ডলি পলিথিন ব্যবহারের ব্যবস্থাও থাকবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে মনিটরিং টিম কাজ করবে।”

পরিচ্ছন্নতা অভিযান তদারকিতে তিনি নিজেই ঈধের সকাল থেকে মাঠে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন মেয়র শাহাদাত। 

সভায় আরো বলা হয়েছে, দামপাড়ায় সিসিসির একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা থাকবে, যেখান থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে। 

এছাড়া দুইটি হটলাইন নম্বর ও সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাদের  অভিযোগ বা পরামর্শ জানাতে পারবেন কন্ট্রোল রুমে। 

সোমবারের সভায় উপস্থিত ছিলেন সিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী,  ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মাসহ আরো অনেকে।