সিপাহীরা জিয়াউর রহমানকে জনতার কাতারে নিয়ে এসেছিলেন: শাহাদাত
“বহুদলীয় গণতন্ত্র উনি প্রবর্তন করেছিলেন।”
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহীরা জনতার কাতারে নিয়ে এসেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন।
শনিবার সকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে নগরীর বিপ্লব উদ্যানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি।
শাহাদাত হোসেন বলেন, “বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই বিপ্লব উদ্যান থেকে ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে ‘উই রিভোল্ট’ বলে মুক্তিযুদ্ধে সূচনা করেন। ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
“উনি যুদ্ধ করেছেন দেশের জন্য। এবং একজন সৈনিক হিসেবে আবার উনি ব্যারাকে ফিরে গিয়েছিলেন। সেই পুরষ্কার হিসেবে, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরে এই সিপাহীরা সেদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জনতার কাতারে নিয়ে এসেছিলেন। এবং পরবর্তীতে উনি বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন।”
তিনি বলেন, “সিপাহি জনতা সেদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ব্যারাক থেকে জনতার কাতারে নিয়ে আসায়, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের অভ্যুদয় সেদিন হয়েছিল। এটার মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে উনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে বাংলাদেশ রাজনৈতিক, গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী একটি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক মুক্তি সব মিলিয়ে।
“উনার শাসনামলে বাংলাদেশকে উনি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী করেছিলেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র উনি প্রবর্তন করেছিলেন। বাংলাদেশের জিডিপিতে আজকে যে কৃষি, গার্মেন্টস, মানবসম্পদ- সেই তিনটিকে উনি দেশের অর্থনৈতিক ধারাতে যোগ করেছিলেন।”
শাহাদাত হোসেন বলেন, “আজকে উনি আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই ধারাকে, উনার রাজনীতিকে, উনার অর্থনৈতিক চিন্তাধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের আজকের রাষ্ট্রনায়ক দেশনায়ক তারেক রহমান যেভাবে কাজ করছেন সেটা অভূতপূর্ব।
“উনি বাংলাদেশকে যেই জায়গায় অ্যাড্রেস করছেন, সেটা হচ্ছে ডিসিপ্লিন অ্যান্ড পাংচুয়ালটি (শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা)। আজকে সঠিক সময়ে উনি অফিসে যাচ্ছেন এবং পাঁচটার পরেও রাত আটটা, নয়টা, দশটা পর্যন্ত অফিস করছেন। এটা দিয়ে উনি বুঝাতে চেষ্টা করছেন, আমাদেরকে কাজ করতে হবে।”
৭ নভেম্বর উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে বিপ্লব উদ্যানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নগর কমিটির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ও সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
দিনটি উপলক্ষ্যে রক্তদান কর্মসূচিরও আয়োজন করেছে মহানগর বিএনপি।
