চট্টগ্রাম-১৪: শেষ সময়ে ৩ কেন্দ্রে নৌকা-ট্রাক সমর্থকদের মারামারি
চৌধুরী পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে বলে জানাচ্ছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ভোটগ্রহণের শেষ মুহূর্তে চট্টগ্রাম-১৪ আসনের চন্দনাইশ ও দোহাজারী এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে নৌকা ও ট্রাক প্রতীকের সমর্থকরা।
বেলা সাড়ে ৩টা থেকে পৌনে ৪টার দিকে দোহাজারী জামিরজুরি আহমদুর রহমান স্কুল কেন্দ্র, পূর্ব চন্দনাইশ চৌধুরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং গাছবাড়িয়া নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোহাজারী জামিরজুরি হাই স্কুল কেন্দ্রের বাইরে নৌকা প্রতীকের নজরুল ইসলামের অনুসারী এবং ট্রাক প্রতীকের আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জব্বারের অনুসারীরা অবস্থান নিয়েছিলেন।
ভোট শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে নৌকা সমর্থকরা ট্রাক সমর্থকদের ধাওয়া দিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় প্রচুর ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরে র্যাব-বিজিবি গিয়ে তাদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেয়।
র্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার মাহতাব হোসেন বলেন, “দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি। দুই পক্ষকে ধাওয়া করে সরিয়ে দিই।”
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চন্দনাইশের অন্য দুই কেন্দ্রের নৌকা সমর্থকরা এসে ট্রাক সমর্থকদের ধাওয়া করে। এসময় দুই পক্ষে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
চৌধুরী পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে বলে জানান এক প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এ সময় আতিকুর রহমান নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা দেখতে পেয়েছেন। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ আসনে ভোটে লড়েন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নজরুল ইসলাম চৌধুরী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার চৌধুরী (ট্রাক), জাতীয় পার্টির আবু জাফর মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ (লাঙল), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবুল হোছাইন (চেয়ার), বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মোহাম্মদ আলী ফারুকী (একতারা), বিএনএফর গোলাম ইসহাক খান (টেলিভিশন) ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সেহাব উদ্দিন মুহাম্মদ আবদুস সামাদ।
