Published : 06 Oct 2023, 06:57 PM
দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে প্রথম ওভারেই দুই উইকেট নিলেন বাস ডে লেডে। শেষ স্পেলে জাগালেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা। সেটি না পারলেও প্রায় ২০ বছর আগে করা বাবা টিম ডে লেডের কীর্তি স্মরণ করালেন ২৩ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার।
হায়দরাবাদে পাকিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেট পেয়েছেন নেদারল্যান্ডসের এই পেসার। বৈশ্বিক আসরে ডাচদের হয়ে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড এটিই। যেখানে তার আগেই বসেছেন বাবা টিমসহ আরও তিন বোলার।
বাস ডে লেডের ৪ উইকেটের পরও অবশ্য তিনশর কাছাকাছি পৌঁছেছে পাকিস্তান। সাউদ শাকিল, মোহাম্মদ রিজওয়ানের ফিফটির সৌজন্যে এক ওভার বাকি থাকতে অলআউট হওয়ার আগে তারা করেছে ২৮৬ রান।
পঞ্চদশ ওভারে প্রথম আক্রমণে আনা হয় ডে লেডেকে। তিন ওভারের ওই স্পেলে কোনো উইকেট পাননি তিনি। ৩২তম ওভারে ফের বল হাতে নিয়ে তিনি ফেরান রিজওয়ান ও মোহাম্মদ ইফতিখারকে।
পরে ৪৩তম ওভারে পরপর দুই বলে তার শিকার শাদাব খান, হাসান আলি। ইয়র্কার লেংথের হ্যাটট্রিক বল ঠেকিয়ে দেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। পরের দুই ওভারে আর কোনো সাফল্য পাননি ডে লেডে।
৯ ওভারে তার খরচ ৬২ রান। ২০০৩ সালের আসরে ভারতের বিপক্ষে ৩৫ রানে ৪টি শিকার ধরেছিলেন তার বাবা টিম ডে লেডে।
বিশ্বকাপে টানা পাঁচ ম্যাচ উইকেটশূন্য থাকার পর সেদিনই প্রথম সাফল্য পেয়েছিলেন টিম। যা এখনও বৈশ্বিক আসরে ডাচদের রেকর্ড। ওই একই আসরে নামিবিয়ার বিপক্ষে সমান ৪২ রানে ৪টি করে উইকেট নেন ফেইকো ক্লোপেনবার্গ ও আদিল রাজা।
টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে প্রথম পাওয়ার প্লেতেই ৩ উইকেট তুলে নেয় নেদারল্যান্ডস। ফাখার জামান, ইমাম উল হক, বাবর আজমকে হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় পাকিস্তান।
চতুর্থ উইকেটে ১২০ রানের জুটিতে দলকে দেড়শ পার করান শাকিল ও রিজওয়ান। ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৫২ বলে ৬৮ রান করে ফেরেন শাকিল। রিজওয়ান খেলেন ৮ চারে ৭৫ বলে ৬৮ রানের ইনিংস।
পরে সপ্তম উইকেটে ৬৪ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ নাওয়াজ ও শাদাব খান। নাওয়াজ ৩৯ ও শাদাব ৩২ রান করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান: ৪৯ ওভারে ২৮৬ (ফাখর ১২, ইমাম ১৫, বাবর ৫, রিজওয়ান ৬৮, শাকিল ৬৮, ইফতিখার ৯, নাওয়াজ ৩৯, শাদাব ৩২, হাসান ০, আফ্রিদি ১২*, রউফ ১৬; আরিয়ান ১০-০-৪৮-১, ফন বিক ৬-০-৩০-১, আকারম্যান ৮-১-৩৯-২, ফন মেকেরেন ৬-০-৪০-১, ডে লেডে ৯-০-৬২-৪, মেরওয়া ৬-০-৩৬-০, বিক্রমজিত ২-০-১৬-০, জুলফিকার ২-০-১৫-০)