Published : 17 Feb 2026, 08:09 AM
টানা দুই হারে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের দুয়ারে অস্ট্রেলিয়া। সুপার এইটে যেতে হলে সাবেক চ্যাম্পিয়নদের জন্য এখন প্রয়োজন অলৌকিক কিছুর। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় হারের পর অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শ বললেন, এই মুহূর্তে তারা খুবই হতাশ এবং সবকিছু ছেড়ে দিচ্ছেন নিয়তির হাতে।
পাল্লেকেলেতে সোমবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৮ উইকেটে হারে অস্ট্রেলিয়া। তাদের ১৮১ রানের জবাবে পাথুম নিসাঙ্কার অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ১২ বল হাতে রেখেই জিতে যায় লঙ্কানরা।
আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে আসর শুরুর পর, অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ম্যাচে হেরেছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপ থেকে শ্রীলঙ্কা পৌঁছে গেছে সুপার এইটে। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে জিম্বাবুয়ে। তিন ম্যাচে ২ পয়েন্ট করে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া তিনে, আয়ারল্যান্ড চারে আছে। এখনও কোনো পয়েন্ট পায়নি ওমান।
পাল্লেকেলেতে মঙ্গলবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে জিতলে জিম্বাবুয়ে এই গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে পরের ধাপে চলে যাবে, আর বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে ২০২১ আসরের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার।
তাই অস্ট্রেলিয়ার এখন প্রার্থনা করতে হবে, জিম্বাবুয়ে যেন তাদের দুটি ম্যাচেই হারে (আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে)। তখন শেষ ম্যাচে ওমানকে হারিয়ে সুপার এইটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে অস্ট্রেলিয়ার। সেখানেও থাকবে অনেক ‘যদি-কিন্তু।’ নেট রানরেটে জিম্বাবুয়েকে ছাড়িয়ে যেতে হবে অস্ট্রেলিয়ার।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের পর পুরস্কার বিতরণী আয়োজনে মার্শ বললেন, জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচে খুব করে তাকিয়ে থাকবেন তারা।
“এখন এটা খুব ভেঙে পড়া একটি দল, বিধ্বস্ত দল এবং আমাদের সবকিছু এখন নিয়তির হাতে। এই মুহূর্তে ড্রেসিং রুমে হতাশা অনেক। নিজেদের সেরাটা দিতে পারিনি আমরা।”
“আর হ্যাঁ, আমরা জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচটি দেখব এবং আমরা আশা করব.... কিন্তু হ্যাঁ, এই মুহূর্তে আমরা হতাশ।”
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আট ওভারে বিনা উইকেটে ৯৭ রান তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া। পরের ১২ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে তারা করতে পারে কেবল ৮৪ রান। ১০৪ রানের উদ্বোধনী জুটির পর আর বড় কোনো জুটি না হওয়ায় আক্ষেপ ঝরল মার্শের কণ্ঠে।
“আমরা জানি না ২২০ রান করতে পারলে কী হতো; কিন্তু আমি আগেই বলেছি, আমাদের ভালো একটা ভিত ছিল এবং সেটা কাজে লাগাতে পারিনি আমরা। আমি জানি, এই কন্ডিশনে জুটি গড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্বোধনী জুটির বাইরে, আমরা আর কোনো বড় জুটি পাইনি।”