১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

স্টোকসের ৪ উইকেট ও ডাকেটের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড

বিনা উইকেটে ৩১৭ রান তুলে ফেলা নিউ জিল্যান্ড ১২১ রানে হারাল ১০ উইকেট, ডাকেটের বিধ্বংসী ইনিংসে শক্ত ভিত পেল ইংল্যান্ড।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Jun 2026, 01:02 AM

Updated : 19 Sep 2026, 02:32 PM

ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে কী দারুণভাবেই না ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড। অধিনায়ক বেন স্টোকসের অনুপ্রেরণাদায়ী বোলিংয়ের পর চোখধাঁধানো সেঞ্চুরি উপহার দিলেন বেন ডাকেট। ম্যাচে চালকের আসনে বসে গেল তাদের দল।

সিরিজ নির্ধারণী এই টেস্টে প্রথম দিনে ৩১৭ রানের উদ্বোধনী জুটিতে শক্ত ভিত পায় নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু ১২১ রানে ১০ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় দিন তারা গুটিয়ে যায় ৪৩৮ রানে। ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে প্রথম দিনের স্কোরের সঙ্গে শুক্রবার ৭৭ রান যোগ করতে শেষ ৬ উইকেট হারায় তারা। 

জবাবে ইংল্যান্ড দিনের খেলা শেষ করে ২ উইকেটে ২২৩ রানে। ২১৫ রানে পিছিয়ে আছে তারা, হাতে উইকেট ৮টি।

সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরিতে ১৯ চারে ৯৯ বলে ১১৩ রান করেন ওপেনার ডাকেট। 

সেঞ্চুরির হাতছানি আছে জ্যাকব বেথেলের সামনেও। ১২৮ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত আছেন তিনি।  

নাইটক্লাব বিতর্কের কারণে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে না পারা স্টোকস প্রচণ্ড গরমের মধ্যে চমৎকার বোলিং করেন। ৭০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দলের সফলতম বোলার অভিজ্ঞ পেস বোলিং অলরাউন্ডার।

৪ উইকেটে ৩৬১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করে নিউ জিল্যান্ড। দিনের প্রথম ৪০ মিনিটে ইংল্যান্ড কোনো উইকেট নিতে পারেনি। এরপর স্টোকসের আট ওভারে আসে তিনটি উইকেট। একটি ক্যাচ হাতছাড়া না হলে সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারত।

স্পিনার শোয়েব বাশির এক ওভারে দুটি ও গতিময় পেসার জফ্রা আর্চার নেন একটি উইকেট।

আর্চারের একটি বাউন্সারে মাথায় আঘাত পান ব্লেয়ার টিকনার। পরে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন তিনি।

টম ব্লান্ডেলের ৩০ ছাড়া নিউ জিল্যান্ডের আর কেউ এ দিন উল্লেখ করার মতো কিছু করতে পারেননি।

জবাবে ইংল্যান্ডের শুরুটা ভালো ছিল না। শূন্য রানে ফেরেন এমিলিও গে। সেখান থেকে দলকে টানেন ডাকেট ও বেথেল। দ্বিতীয় উইকেটে ১৭৯ রানের জুটি গড়েন দুজন।

৮৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডাকেট। টেস্টে ২১ ইনিংস পর তিন অঙ্ক ছুঁতে পারলেন তিনি। সবশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন ২০২৫ সালের জুনে, লিডসে ভারতের বিপক্ষে।

ডাকেটকে ফিরিয়ে মাথাব্যথার কারণ হয়ে ওঠা জুটি ভাঙেন ন্যাথান স্মিথ। জো রুটকে নিয়ে দিনের বাকি সময় কাটিয়ে দেন বেথেল। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউ জিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ১১৪.৫ ওভারে ৪৩৮ (আগের দিন ৩৬১/৪) (ও’রোক ১৯, মিচেল ১১, ব্লান্ডেল ৩০, স্যান্টনার ৪, স্মিথ ৬, টিকনার ৪*, সিয়ার্স ০; অ্যাটকিনসন ২১-৩-৭৯-১, আর্চার ১৯.৫-১-৭৫-২, টাং ২১-৬-৭৫-০, বাশির ২৫-২-১০৫-২, স্টোকস ২১-৩-৭০-৪, বেথেল ৪-০-১৮-০, রুট ৩-০-৭-১)

ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৪৫ ওভারে ২২৩/২ (ডাকেট ১১৩, গে ০, বেথেল ৭৪*, রুট ২১*; স্মিথ ১২-১-৫১-১, ও’রোক ১১-৩-৩৯-১, টিকনার ৩-০-২১-০, স্যান্টনার ৮-০-৫৫-০, সিয়ার্স ৭-১-৩৮-০, ফোকস ৪-১-৮-০)