অ্যাশেজ
Published : 08 Jan 2026, 03:42 PM
প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী, কিন্তু প্রাপ্তি একেবারেই তলানিতে। এবারের অ্যাশেজে দলের ভরাডুবি নিয়ে এরই মধ্যে ‘পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা’ শুরু করে দিয়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গৌল্ড জানিয়েছেন, এই সফরের বিভিন্ন দিক মূল্যায়নের পর সামনে দলে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতেও প্রস্তুত তারা।
এবারের অ্যাশেজ শুরুর আগে অনেক স্বপ্ন বুনেছিল ইংল্যান্ড। এটাকে ‘জীবনের সেরা সিরিজ’ বলেছিলেন কোচ ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম নিজেও। কিন্তু মাঠের লড়াই শুরুর পর ভেঙে চুরমার হয়ে যায় তাদের আশা। মাঠের খেলায় ১১ দিনেই প্রথম তিন টেস্টে হেরে যায় দলটি।
সিডনিতে পঞ্চম ও শেষ টেস্টেও পরাজয়ের তেতো স্বাদ পায় ইংল্যান্ড। বৃহস্পতিবার তাদেরকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করে অস্ট্রেলিয়া।
এই সিরিজে ইংল্যান্ডের একমাত্র প্রাপ্তি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দীর্ঘদিনের জয় খরা কাটানো। মেলবোর্নে বক্সিং ডে টেস্টে জিতে তাসমান সাগর পারের দেশটিতে ১৫ বছর পর অপেক্ষার অবসান ঘটায় তারা।
কিন্তু সিরিজ জুড়ে যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে ইংল্যান্ড, তা প্রত্যাশার ধারেকাছেও ছিল না। সিডনি টেস্ট শেষে গৌল্ড বললেন, এই সফর থেকে শিক্ষা নিয়ে ২০২৭ সালের অ্যাশেজ জয়ের লক্ষ্যে নিজেদের প্রস্তুত করবেন তারা।
“আমরা এই সফর থেকে অনেক শিক্ষা নেব এবং দ্রুত উন্নতির জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমাদের লক্ষ্য ২০২৭ সালে অ্যাশেজ পুনরুদ্ধার করা। এই সফরের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা এরই মধ্যে চলছে। সেখানে সফর পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও আচরণ এবং পরিস্থিতির প্রয়োজনে আমাদের কার্যকরভাবে মানিয়ে নেওয়ার ও প্রতিক্রিয়া জানানোর সামর্থ্যের ব্যাপারটি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।”
প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তির বিশাল ফারাকের কারণে স্বাভাবিকভাবেই হতাশ ইংলিশরা। ব্যতিক্রম নন গৌল্ডও। তার মতে, সিরিজে একদমই ধারাবাহিক হতে পারেনি বেন স্টোকসের দল।
ইংল্যান্ডের পরের টেস্ট সিরিজ আগামী জুনে, ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে। এর আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে উপমহাদেশে যাবে তারা। গৌল্ড বললেন, টেস্টে ক্রিকেটে উন্নতির স্বার্থে সামনের মাসগুলোতে দলে প্রয়োজনীয় বদল আনতে প্রস্তুত তারা।
“আমাদের ছেলেদের দল এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কায় যাবে, যে আসরটি ফেব্রুয়ারিতে হবে। আর আগামী মাসগুলোতে আমরা দলে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনব।”