ই-জিরো সনদ পেল আরএফএলের ‘প্লাইম্যাক্স’
আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এর ফরমালডিহাইড নিঃসরণের মাত্রা প্রায় ০.০৪ পিপিএম যা ই-জিরো নির্দেশক মানদণ্ড ০.০৫ পিপিএমের থেকেও কম।
দেশের বাজারে পরিবেশবান্ধব ও আন্তর্জতিক মানের পার্টিকেল বোর্ড তৈরিতে ই-জিরো সনদপত্র পেল আরএফএল গ্রেুপের পার্টিকেল বোর্ড ‘প্লাইম্যাক্স’।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এর ফরমালডিহাইড নিঃসরণের মাত্রা প্রায় ০.০৪ পিপিএম যা ই-জিরো নির্দেশক মানদণ্ড ০.০৫ পিপিএমের থেকেও কম বলে দাবি করেছেন আরএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল।
রাজধানীর এক কনভেনশন সেন্টারে বুধবার প্লাইম্যাক্স বোর্ড উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমরা যখন আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের দেশীয় পার্টিকেল বোর্ড নিয়ে গিয়েছি, ক্রেতারা জানতে চেয়েছেন, এতে ব্যবহৃত ফরমালডিহাইডের নিঃসরণ কতটুকু। তাদের নির্ধারিত মান অনুযায়ী এই নিঃসরণ ০.০৫ পিপিএমের মধ্যে থাকতে হবে।
“আমরা প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও গবেষণার মাধ্যমে আমাদের পণ্যের ফরমালডিহাইড নিঃসরণের মাত্রা প্রায় ০.০৪ পিপিএমে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।”
পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক মান যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শেষ করে প্লাইম্যাক্স বোর্ড প্রয়োজনীয় সনদ অর্জন করে এবং এর ফলে দেশীয় বোর্ড ও আসবাবপত্র আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেও মনে করছেন তিনি।
পরিবেশের ক্ষতি না করে শিল্পায়ন করাই আরএফএলের মূল লক্ষ্য বর্ণনা করে ব্যবস্থপনা পরিচালক বলেন, “আমরা রোহিঙ্গা পূনর্বাসন এলাকায় এক হাজার গাছ লাগিয়েছি। কারখানাগুলো সবুজায়নের উদ্যোগে প্রায় ৪০০ প্রজাতির গাছ ছাদসহ বিভিন্ন স্থানে আমরা লাগিয়েছি।
“এটি শুধু আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য নয়, বাংলাদেশের শিল্প খাত ও রপ্তানি অর্থনীতির জন্যও একটি ইতিবাচক সংবাদ। আমরা বিশ্বাস করি, মানসম্মত ও পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে।”
প্লাইম্যাক্সের নির্বাহী পরিচালক কাজী রাশেদুল ইসলাম বলেন, “প্লাইম্যাক্স বোর্ডের ই-জিরো সনদ প্রমাণ করে, প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত কম ফরমালডিহাইড নির্গমন মান বজায় রেখে বোর্ড উৎপাদনে সক্ষম। ফলে প্লাইম্যাক্স বোর্ড দিয়ে তৈরি আসবাব বা অন্যান্য পণ্য ঘরের ভেতরের পরিবেশকে আরও স্বাস্থসম্মত রাখতে সহায়তা করে এবং ক্ষতিকর গ্যাসের প্রভাব কমাতে ভূমিকা রাখে।”
এক বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের সনদ অর্জনের এই সাফল্য দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে এক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও মনে করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরএফএল গ্রুপের প্রধান কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল্লামা মুর্শিদ মুনীম, প্লাইমেক্স বোর্ডের প্রধান পরিচালক মাহেদী হাসান এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
