Published : 25 Apr 2026, 08:06 PM
সারাদেশে ১ হাজার ১২০টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে ২০২৫ সালে ২ হাজার ৭২০ কোটি টাকার রেমিটেন্স বিতরণ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ।
বিতরণকৃত মোট অর্থের প্রায় ৮৫ শতাংশই সরাসরি গ্রাহকের হিসাবে জমা হয়েছে বলে শনিবার ব্র্যাক ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিটেন্স। প্রবাসীদের ঘামঝরা এই অর্থ শুধু পরিবারের মুখে হাসিই ফোটায় না, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারও সমৃদ্ধ করে।
“সেই রেমিট্যান্স পাঠানোতে ব্র্যাকের এজেন্ট ব্যাংকিং এখন হয়ে উঠেছে এক নতুন সম্ভাবনার নাম।”
বিস্তৃত এজেন্ট ব্যাংকিং নেটওয়ার্কের কল্যাণে সহজ, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবায় আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে প্রবাসী আয় ফিরছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে, বিশেষ করে প্রান্তিক অঞ্চলে অবৈধ চ্যানেলের দৌরাত্ম্য ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে রেমিটেন্স বা প্রবাসী আয়ের একটি বড় অংশই আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে থেকে যেত। গ্রাম-পাড়া-মহল্লায় এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের বিস্তারের ফলে এখন ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে গেছে মানুষের দোরগোড়ায়।
ব্র্যাক ব্যাংকের ভাষ্য, শুধু অর্থ পৌঁছে দেওয়াই নয়, সেই অর্থকে কাজে লাগানোর সুযোগও তৈরি করছে ব্যাংকটি। এর অংশ হিসেবে ব্যাংকের ‘স্বাবলম্বী’ ঋণসেবার মাধ্যমে রেমিট্যান্স গ্রাহকদের দেওয়া হচ্ছে সহজ শর্তে ঋণ।
২০২৫ সালে ৪ হাজার ৫০৬ জন গ্রাহক এই সুবিধা নিয়েছেন; যার মোট পরিমাণ ৪৯০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। ব্যাংকের মোট ‘স্বাবলম্বী’ ঋণের ৬১ শতাংশের বেশিই এসেছে এই চ্যানেল থেকে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব অল্টারনেট ব্যাংকিং চ্যানেলস নাজমুর রহিম বলেন, “দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ সহজ করতে আমরা এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছি।
“আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, উদ্ভাবনী ও সুবিধাজনক ব্যাংকিং সেবা শুধু আর্থিক অন্তর্ভুক্তিরই প্রসার ঘটায় না, বরং ব্যাংকিং চ্যানেলে মানুষদের আগ্রহও বাড়ায়।”