জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার' হলেন হারুন-অর-রশিদ

তিনি ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগে কর্মজীবন শুরু করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 3 Dec 2023, 12:15 PM
Updated : 3 Dec 2023, 12:15 PM

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো চালু করা ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার' পদে মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ।

শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫২তম সিন্ডিকেট সভায় তাকে বঙ্গবন্ধু চেয়ার পদে মনোনীত করা হয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

অধ্যাপক হারুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরে ১৯৮৩ সালে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়ে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়, সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাপানের রিউকোকু বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণা করেন।

১৯৭৯ সালে অধ্যাপক হারুন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেন। তিনি সিলেকশন গ্রেড প্রফেসর হিসেবে অবসরগ্রহণ করেন।

হারুন-অর-রশিদ ৪৩ বছরের দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই মেয়াদে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যও ছিলেন তিনি। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের তিন বার নির্বাচিত ডিন, স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি, সহ-সভাপতি, কাউন্সিল সদস্য, অধ্যাপক শামসুল হক শিক্ষা কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে  দায়িত্ব পালন করেছেন।

সর্বশেষ তিনি জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউটের বাংলাদেশ চেয়ারে ‘বঙ্গবন্ধু প্রফেসরিয়াল ফেলো’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণার জন্য ২০২১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক হারুন। সেরা প্রকাশনার জন্য ২০১৬ সালে ‘ইউজিসি স্বর্ণপদক’ লাভ করেন তিনি।

অধ্যাপক হারুন এ পর্যন্ত ১৯টি মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ রচনা করেছেন। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন সাময়িকীতে তার ১০০টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ছয়টি প্রসিদ্ধ বই সম্পাদনা করেছেন। তাছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলন বিষয়ক সাতটি বই সম্পাদনা করেছেন।