Published : 09 Feb 2026, 07:04 PM
ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘স্বৈরতান্ত্রিক’ ও ‘অগণতান্ত্রিক’ বলছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম।
সোমবার বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “নির্বাচন একটি উৎসবের বিষয়। সেখানে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত করতে ২০১৮ সালের ধাঁচে এমন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছি।
“কমিশন আমাদের আশ্বস্ত করেছে, এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হবে এবং দ্রুতই নতুন প্রজ্ঞাপন আসবে।”
নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে বিএনসিসিকে বাদ দেওয়া নিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, “বিএনসিসি একটি সুসংগঠিত ও প্রফেশনাল ফোর্স। আনসারের চেয়েও অনেক ক্ষেত্রে বিএনসিসি সদস্যদের ট্রেনিং ও আচরণ বেশি পেশাদার।
“আমরা দাবি জানিয়েছি যেন তাদের পুনরায় নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়। আইনগত কিছু জটিলতার কথা কমিশন বললেও বিষয়টি নিয়ে তারা পুনরায় বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।”
নির্বাচনি উৎসবের আমেজ নস্যাৎ করার চেষ্টা চলছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা চাই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে জয়ী যেই হোক, দিনশেষে যেন গণতন্ত্রের জয় হয়।”
ভোটে প্রতিটি কেন্দ্রে পাহারা দেওয়ার কথা তুলে ধরে সাদিক কায়েম বলেন, “আমরা আবু সাঈদ ও শহীদ উসমান হাদির উত্তরসূরি। আমরা প্রতিটি কেন্দ্রে পাহারা দেব। কারা কারচুপি করতে চাচ্ছে, কারা পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে, সবকিছুর ডকুমেন্টেশন আমরা রাখছি। কোনো অগণতান্ত্রিক শক্তিকে আমরা ক্ষমতায় বসতে দেব না।”
ডাকসুর সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদও এসময় উপস্থিত ছিলেন।