১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিম রপ্তানির সক্ষমতা অর্জনের তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

পোলট্রি খাতের উৎপাদন খরচ কমাতে ফিডের দাম সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার কথা বলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 13 Oct 2026, 08:51 PM

Updated : 13 Oct 2026, 08:51 PM

ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ জন্য উন্নত মানের ডিম উৎপাদন, উৎপাদন খরচ কমানো এবং পোলট্রি খাতের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার বিশ্ব ডিম দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য দিয়েছে মন্ত্রণালয়। ‘প্রোটিন দ্যাট পাওয়ারস অ্যান্ড প্রোটেকটস’ প্রতিপাদ্য নিয়ে এ বছর পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডিম দিবস।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এ বছর আমরা প্রথমবারের মত নাইজেরিয়ায় হ্যাচিং ডিম রপ্তানি করেছি। এটি আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বিষয়। আমরা যদি ভাল মানের পণ্য উৎপাদন করতে পারি, তাহলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে ডিম রপ্তানি করতেও সক্ষম হব। দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

খাদ্যনিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “পোলট্রি খাতের উৎপাদন খরচ কমাতে ফিডের দাম সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকা রয়েছে।”

ফিডে কোনভাবেই অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

পোলট্রি খাতে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “এ খাতে তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। তাদের উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।”

আলোচনা সভায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহজামান খান, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল আমিন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) বয়জার রহমানসহ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার শোভাযাত্রা ও বিনামূল্যে ডিম বিতরণ করা হয়ছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা এবং বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল যৌথভাবে এসব কর্মসূচির আয়োজন করে।