৫ লক্ষাধিক চোখ পরীক্ষার উদ্যোগ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইস্পাহানী হাসপাতালের
“প্রতিরোধযোগ্য দৃষ্টিহীনতা প্রতিহত করা গেলে সমাজে এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে,” বলেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী বিজয়।
প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব ঠেকাতে যৌথভাবে কাজ করতে যাচ্ছে বেসরকারি ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ ও ইস্পাহানী ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটাল (আইআইইআইএইচ)।
সোমবার ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, প্রাপ্তবয়স্কদের চোখের চিকিৎসার জন্য ৭১টি কমপ্রিহেনসিভ আই হেলথ ক্যাম্প এবং স্কুল শিক্ষার্থীদের চোখ পরীক্ষার জন্য ১৬৬৭টি স্টুডেন্ট সাইট টেস্টিং কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচির আওতায় ঢাকা শহরের ১০ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি এবং নওগাঁ, জামালপুর, বরিশাল, বরগুনা ও মৌলভীবাজারে ২ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থী এসব সেবা পাবে। এছাড়া রোগীদের অস্ত্রোপচারের জন্য পরিবহন, চশমা, অপটিকস ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চিকিৎসার মাধ্যমে এড়ানো সম্ভব- এমন অন্ধত্ব প্রতিরোধে গত ২০ বছর ধরে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইস্পাহানী চক্ষু হাসপাতাল একসঙ্গে কাজ করে আসছে। এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণে পদক্ষেপ নিয়েছে। সেখানে প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত সহায়তার পাশাপাশি চক্ষু সেবা কর্মীদের দক্ষতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখছে ব্যাংকটি।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয় বলেন, “প্রতিরোধযোগ্য দৃষ্টিহীনতা প্রতিহত করা গেলে সমাজে এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। শিক্ষাগত অগ্রগতি, জীবিকা অর্জন ও দারিদ্র্য দূরীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সব ক্ষেত্রেই এর সুফল মিলবে।”
ইস্পাহানী ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম আখতারুজ্জামান বলেন, “স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পার্টনারশিপ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে মানসম্পন্ন চক্ষু সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়েছে। আমরা রোগীদের জীবনে প্রভাবশালী পরিবর্তন আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
