Published : 14 Dec 2025, 08:04 PM
পেঁয়াজের দামে লাগাম টানতে ভারত থেকে এবার প্রতিদিন ৬ হাজার টন করে আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার।
আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের প্রথম দিনে ২০০ আইপি (ইমপোর্ট পারমিট বা আমদানি অনুমতিপত্র) ইস্যু করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
শনিবার অনুমোদন পাওয়া এসব আইপির বিপরীতে প্রতিদিন ওই পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন আমদানিকারকরা। তবে আইপি প্রতি ৩০ টনের বেশি পেঁয়াজ আনা যাবে না।
এ নিয়ে আট দিনে সরকার মোট ১৯ হাজার ৫০০ টন পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি করার অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংঘ নিরোধ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক বনি আমিন খান।
এর আগে ৭ ডিসেম্বর ভারত থেকে দৈনিক ৫০টি আইপির বিপরীতে দেড় হাজার টন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার।
তাতেও দেশি পেঁয়াজের দাম সহনীয় না হওয়ায় আমদানি শুরুর আট দিনের মাথায় দৈনিক আমদানির পরিমাণ বাড়িয়েছে সরকার।
বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবির বাজার দরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন বাজারে রোববার দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৮০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা কেজি।
২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতি কেজি দেশি পেয়াঁজ বিক্রি হয় সর্বনিম্ন ৯০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা দরে।
গেল ৭ ডিসেম্বর থেকে আমদানির পেঁয়াজ স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করলেও আমদানিকৃত পেঁয়াজের বাজার দরের কলামটি রোববারও শূন্য রেখেছে টিসিবি।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রাজশাহীর দেশি পেঁয়াজ এক কেজি ১৫০ টাকা আর ইন্ডিয়ান বড় সাইজেরটা বিক্রি করছি ১৩০ টাকা।’’
মাঝারি ও ছোট আকারের আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা দরে। গত শুক্রবারও ঢাকার বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৮০-১০০ টাকা দরে। দুই দিনের মধ্যে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দর বাড়লো প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা।