জুতার দাম বাড়িয়ে নতুন ট্যাগ, ‘তলবের মুখে’ বাটা কর্তৃপক্ষ
ঈদ সামনে রেখে পণ্যের দাম পরিবর্তন করে বাড়তি দামের ট্যাগ লাগানোয় বাটা শু কর্তৃপক্ষকে তলব করতে যাচ্ছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
ঈদের পর কোম্পানির শীর্ষ কর্তাদের অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ডাকা হবে বলে জানিয়েছেন মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জমান।
কোনো কোম্পানি ভোক্তার স্বার্থবিরোধী কাজ বা ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা করলে প্রথমে সতর্ক, পরে লঘুদণ্ড এবং তাতেও সমাধান না হলে তলব করে থাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরামূল্যের ট্যাগ পরিবর্তনের অপরাধে ইতোমধ্যে ফরিদপুর, রাজশাহী, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন শহরে বাটার কয়েকটি বিক্রয়কেন্দ্রকে জরিমানা করার খবর গণমাধ্যমে এসেছে।
সফিকুজ্জামান বলেন, “সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে বাটার পণ্যের প্রাইস ট্যাগ পরিবর্তন করে দাম বাড়ানোর প্রমাণ পেয়েছেন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। বিভিন্ন মেটেরিয়ালসের দাম বাড়ার কারণে এমনটি করা হয়েছে বলে তারা প্রাথমিকভাবে উত্তর দিয়েছে। কিন্তু ভোক্তা অধিকার এ ধরনের উত্তর গ্রহণ করেনি।
“কারণ, যদি কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পেয়েও থাকে, তবে সেটা নিশ্চয় এসব জুতা উৎপাদন করার পরে ঘটেছে। এভাবে দাম বৃদ্ধির পদ্ধতি অযৌক্তিক।”
মহাপরিচালক বলেন, বাটা বিষয়টি ‘ভিন্নভাবে’ ব্যাখ্যা করতে চাইছে।
“কেবল বাটা নয়, আরও কয়েকটি কোম্পানিকে আমরা এসব কারণে জরিমানা করেছি। এখন ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে গেছে। তাই ঈদের পর কথা বলার জন্য বাটার শীর্ষ কর্মকর্তাদের তলব করা হবে।”
এ বিষয়ে কথা বলতে বাটা শুর কোম্পানি সচিব হাশেম রেজার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগের এক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি লিখিত প্রশ্ন চেয়ে বলেছেন, পরে ওই প্রশ্নের উত্তর দেবেন।
