Published : 22 Jan 2026, 01:59 AM
ট্রেড–বেজড মানি লন্ডারিং (টিবিএমএল) বা বাণিজ্য–নির্ভর অর্থ পাচার প্রতিরোধে চট্টগ্রামে একটি নীতি সংলাপ হয়েছে।
বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসারস অব ব্যাংকস ইন বাংলাদেশের (এএসিওবিবি) যৌথ উদ্যোগে বুধবার চিটাগাং ক্লাবে এ সংলাপের আয়োজন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
দেশের ব্যাংকিং খাত, কাস্টমস, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা সংলাপে অংশগ্রহণ করেন। বিএফআইইউয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মো. মফিজুর রহমান খান চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
‘বাংলাদেশে ট্রেড বেইজড মানি লন্ডারিং—ব্যাংকিং ঝুঁকি, নিয়ন্ত্রক কাঠামো ও কমপ্লায়েন্স চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা টিবিএমএলের পরিবর্তিত ঝুঁকি, নিষেধাজ্ঞা প্রতিপালন, ট্রেড ফাইন্যান্স পর্যবেক্ষণের ঘাটতি, উন্নত সিডিডি ও কেওয়াইসি প্রক্রিয়া এবং ব্যাংক–নিয়ন্ত্রক সংস্থার সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
ঝুঁকি মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অ্যানোমালি ডিটেকশন, ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম, এবং প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন আলোচকরা।
‘টিবিএমএল প্রতিরোধে গ্লোবাল বেস্ট প্র্যাক্টিসেস (আন্তর্জাতিক সেরা চর্চা)—সমন্বিত উদ্যোগ ও আগামী দিনের করণীয়’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্সের বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের নীতিমালা শক্তিশালী করার উপায়, সমন্বিত স্যাংশন স্ক্রিনিং, ক্রস–বর্ডার তথ্য বিনিময় এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষজ্ঞরা ট্রেড–ভিত্তিক মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও কৌশল প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মো. মফিজুর রহমান বলেন, “নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রয়াসের মাধ্যমে আমরা দেশে আরও শক্তিশালী, টেকসই ও দায়িত্বশীল কমপ্লায়েন্স কালচার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব।”