বগুড়ায় গেলে যা না খেলেই নয়

নাভিদ ইবনে সাজিদ নির্জন
Published : 8 Dec 2019, 01:29 PM
Updated : 8 Dec 2019, 01:29 PM

উত্তরবঙ্গের রাজধানী হিসেবে খ্যাত বগুড়া রসনাবিলাসেও অন্যতম। বগুড়ার নাম নিলেই তালিকার শুরুতে উঠে আসবে  দই। দূর থেকে মানুষ এই দইয়ের স্বাদ নিতে বগুড়া ছুটে আসেন। তবে দই ছাড়াও বগুড়ায় আরো খাবার রয়েছে ভোজনরসিকদের জন্য। যেমন- ক্ষির, স্পঞ্জের মিষ্টি, মহাস্থানগড়ের চালের কটকটি, লাচ্ছা সেমাই, শিক কাবাব, মুরগি ও গরুর চাপ, লাল মরিচ, আঠা আলু।

দই এর মতো ক্ষিরের জন্যও বগুড়া বিখ্যাত। বগুড়ার সুস্বাদু ক্ষির ও স্পঞ্জের মিষ্টি দারুণ জনপ্রিয়। শহরের সাতমাথা এলাকায় দইয়ের দোকানগুলোতে এই ক্ষির ও স্পঞ্জের মিষ্টি পাওয়া যায়।

চালের গুড়া, গুড় আর ঘি মিশিয়ে তৈরি হয় কটকটি। বগুড়ার মহাস্থানগড়ে পাওয়া যায় বলে একে মহাস্থানগড়ের চালের কটকটিও বলে।

বগুড়ার লাচ্ছা সেমাই নাকি এখন বিদেশেও রপ্তানি হয়।

মিষ্টির পাশাপাশি শিক কাবার খেতে রেস্তোরাঁগুলোতে ভিড় হয় বেশ।

কলোনি এলাকায় বেশ কয়েকটা দোকানে সন্ধ্যা থেকে গরুর চাপ, মুরগির ভাজা মাংস, পুরি খেতে প্রতিদিনই থাকে ভোজনরসিকদের আনাগোনা।

বগুড়ার লাল মরিচের রয়েছে বেশ চাহিদা। এখানে প্রচুর পরিমানে মরিচ উৎপাদনও হয়। বগুড়ার মরিচ রপ্তানিও হচ্ছে।

আঠালো এবং অন্যরকম স্বাদের আলুভর্তা খেতে বগুড়ার আঠা আলুই বেছে নেন সবাই।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক