গাইবান্ধা-৫: সাঘাটার ইউএনও ও ওসিকে সরানোর নির্দেশ

এ আসনে গত উপ-নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সব প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদেরও নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখতে বলা হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 3 Jan 2024, 10:08 AM
Updated : 3 Jan 2024, 10:08 AM

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসনে নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে সাঘাটার ইউএনও এবং ওসিকে সরিয়ে দেওয়ার আদেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

পক্ষপাতের অভিযোগে এক প্রার্থীর করা রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. ইকবাল কবীর ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়।

রিটকারীর আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ওই আসনে গত উপ-নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সব প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদেরও নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখতে বলা হয়েছে।

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা বুবলী এই রিট আবেদন করেন । ফারজানা বুবলী সাবেক ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার মেয়ে।

২০২২ সালের ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণের মধ্যে সিসি ক্যামেরায় এক-তৃতীয়াংশ কেন্দ্রে অনিয়মের দৃশ্য দেখে মাঝপথে ঢাকা থেকে নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দেয় ইসি।

বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের ইতিহাসে অনিয়মের কারণে কোনো সংসদীয় আসনের নির্বাচন পুরোপুরি বন্ধ করার ঘটনা সেটাই প্রথম।

গাইবান্ধায় ভোটে অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন।

সেই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মে সম্পৃক্ততার কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, পুলিশের উপ-পরিদর্শক, নির্বাহী হাকিমসহ শতাধিক ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও নির্বাচনী এজেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয় নির্বাচন কমিশন।

পরে ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি সেখানে নতুন করে ভোট হয় এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহমুদ হোসেন রিপন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিপন এবারও গাইবান্ধা-৫ আসনে নৌকার প্রার্থী।