নিউ গিনি প্রোপার্টিজে আবার ‘হট্টগোল-মারামারি’
ক্যান্টনমেন্ট থানার পরিদর্শক বলেন, “একপক্ষ বলতেছে জমির মালিকানা আমাদের, আরেকপক্ষ বলতেছে তাদের। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারিও হয়েছে।”
রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় নিউ গিনি প্রোপার্টিজে জমির মালিকানা নিয়ে আবার ‘হট্টগোলের’ ঘটনার কথা বলছে পুলিশ।
শনিবার বিকাল ৫টার দিকে দুটি গ্রুপের মধ্যে তৈরি হওয়া হট্টগোল পরে মারামারিতেও গড়িয়েছে বলে জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার পরিদর্শক মো. আল আমিন।
তিনি বলেন, “একপক্ষ বলতেছে জমির মালিকানা আমাদের, আরেকপক্ষ বলতেছে তাদের। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারিও হয়েছে।”
এ ঘটনায় জড়িত বেশ কয়েকজনকে আটক করে থানায় নেওয়ার তথ্য দেন তিনি।
তবে যে দুটি পক্ষের কথা তিনি বলেছেন, তাদের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে বিস্তারিত জানাতে পারেননি পুলিশের এই কর্মকর্তা।
পুলিশ জানিয়েছে, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে একজন নিউ গিনি প্রোপার্টিজে আবার হামলার অভিযোগ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
পরিদর্শক আল আমিন বলেন, বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট থানার এসআই শিল্পী বলেন, ১২-১৩ জনকে ধরে থানায় আনা হয়েছে। তাদের নাম-ঠিকানা এখনো লেখা হয়নি।
“মাত্রই তাদেরকে নিয়ে আসা হয়েছে, এখনো তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। যাচাই-বাছাই শেষে ঊর্দ্ধতনদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ইসিবি চত্বরের দক্ষিণ মানিকদীতে নিউ গিনি প্রোপার্টিজে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই সময় সেখানে থাকা কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতে হামলা চালানো হয়।
এ ঘটনায় নিউ গিনি প্রোপার্টিজের পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন।
মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। আসামি করা হয় নাম না জানা আরো ১৫০ থেকে ২০০ জনকে।
পুলিশ তখন বলেছিল, ঘটনার তদন্তে প্রাথমিকভাবে জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিরোধের বিষয়টি সামনে আসে।
ওই ঘটনায় হামলার পরিকল্পনা ও সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে আটজন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
পুলিশের তরফে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরো বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করার কথা বলা হয়েছে, এরমধ্যেই একইস্থানে ফের দুই পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটল।
