২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ভাত তো খাচ্ছেন, আপনার চাল কতটা নিরাপদ

গবেষক হাবিবুল বারী সজীব বলেন, মাটি ও পানি থেকে ধানগাছ বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও ভারী ধাতু গ্রহণ করলেও সেগুলোর সবটাই ধানের শস্যদানা বা চালে একই মাত্রায় পৌঁছায় না।

ভাত তো খাচ্ছেন, আপনার চাল কতটা নিরাপদ

ছবি: রয়টার্স

মঈনুল হক চৌধুরী

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 24 Sep 2026, 12:05 AM

Updated : 24 Sep 2026, 12:05 AM

শাকসবজি ও ফলমূলে সহনীয় মাত্রার বেশি ভারী ধাতু ও কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ মেলার খবরের মধ্যেই দেশের প্রধান খাদ্যশস্য চাল কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে এক গবেষণায় পাওয়া গেছে মিশ্র চিত্র।

বাজারের চালে ক্ষতিকর ভারী ধাতু সীসা ও ক্যাডমিয়ামের মাত্রা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের নিচে থাকলেও, ১৮ শতাংশ নমুনায় মিলেছে বাড়তি অজৈব আর্সেনিক।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) শস্যমান ও পুষ্টি বিভাগের আওতাধীন রাইস অ্যানালিটিক্যাল ল্যাবরেটরিতে (আরএএল) সম্প্রতি দেশের চাল নিয়ে এই গবেষণা পরিচালিত হয়।

গবেষণার আওতায় দেশের আট বিভাগের ১৭টি বাজার থেকে ১০৪টি বাণিজ্যিক চালের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। চালের নমুনায় ক্যাডমিয়াম, সীসা এবং ধানক্ষেতে ব্যবহৃত নির্বাচিত ২২টি বালাইনাশকের (কীটনাশক, আগাছানাশক ও ছত্রাকনাশক) অবশিষ্টাংশ পরীক্ষা করে দেখা হয়।

আন্তর্জাতিক খাদ্য মান নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি কেজি চালে সর্বোচ্চ ০.২০ মিলিগ্রাম আর্সেনিক, ০.৪০ মিলিগ্রাম ক্যাডমিয়াম এবং ০.২০ মিলিগ্রাম সীসা মানবস্বাস্থ্যের জন্য সহনীয়।

গবেষক দলের সদস্য এবং আরএএল-এর কোয়ালিটি ম্যানেজার হাবিবুল বারী সজীব বলেন, পরীক্ষিত নমুনায় ক্যাডমিয়াম, সীসা ও কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ অনুমোদিত সীমার নিচেই ছিল, যা তার ভাষায়, ‘বেশ আশাব্যঞ্জক’।

তবে ১০৪টি নমুনার মধ্যে ১৯টিতে অজৈব আর্সেনিকের মাত্রা কোডেক্স নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা (০.২০ মিগ্রা/কেজি) অতিক্রম করেছে। অর্থাৎ, ৮২ শতাংশ নমুনায় আর্সেনিকের মাত্রা সীমার মধ্যেই ছিল।

আর্সেনিকের দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শ স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। সে কারণে চালের ক্ষেত্রে এ দূষকের মাত্রা পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

গবেষক হাবিবুল বারী বলেন, “কিছু নমুনায় অজৈব আর্সেনিকের মাত্রা আন্তর্জাতিক সীমা ছাড়ানোয় আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন নিয়মিত নজরদারি ও আরও বিস্তৃত গবেষণা।”

তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। গবেষণালব্ধ ফলাফল আন্তর্জাতিক পিয়ার রিভিউ গবেষণাপত্রে প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। এ কারণে গবেষকরা এখনই নমুনাভিত্তিক বিস্তারিত মাত্রা প্রকাশ করছেন না।

“এটি একটি পাইলট গবেষণা। বাংলাদেশের সব বাজার, সব ধানের জাত, উৎপাদন অঞ্চল ও মৌসুমের চাল সম্পর্কে এর ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।”

হাবিবুল বারী বলেন, “সাধারণ মানুষের জন্য বার্তাটি তাই স্পষ্ট। খাদ্যনিরাপত্তার প্রশ্নে আতঙ্ক বা গুজব নয়, আস্থা রাখুন বৈজ্ঞানিক তথ্য, নিয়মিত পরীক্ষা ও কার্যকর নজরদারিতে।”

কেন আর্সেনিক নিয়ে নজরদারি

গবেষকরা জানান, বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলের মাটি ও ভূগর্ভস্থ পানিতে প্রাকৃতিকভাবে আর্সেনিক রয়েছে। সেচের পানির মাধ্যমে তা ধানের জমিতে পৌঁছাতে পারে এবং ধানগাছ মাটি ও পানি থেকে কিছু পরিমাণ আর্সেনিক গ্রহণ করতে পারে।

তবে কোনো চালের নমুনায় আর্সেনিক পাওয়া গেলেই সেটিকে সরাসরি ‘বিপজ্জনক’ বলা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। স্বাস্থ্যঝুঁকি নির্ভর করে দূষকের মাত্রা, প্রতিদিন কতটা চাল খাওয়া হচ্ছে, কত বছর ধরে তা খাওয়া হচ্ছে, শরীরের ওজন এবং পানি ও অন্যান্য খাবার থেকে একই দূষকের সংস্পর্শ কতটা হচ্ছে—এসব বিষয়ের ওপর।

গবেষক হাবিবুল বারী সজীব বলেন, বাংলাদেশের মানুষের চাল খাওয়ার পরিমাণ বেশি হওয়ায় অজৈব আর্সেনিকের বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

তার ভাষায়, গবেষণায় ব্যবহৃত টার্গেট হ্যাজার্ড কোশেন্ট, হ্যাজার্ড ইনডেক্স ও টার্গেট ক্যানসার রিস্কের মতো সূচকগুলো মূলত স্ক্রিনিংভিত্তিক ঝুঁকি নিরূপণের পদ্ধতি। এসব সূচকের কোনো মান বেশি পাওয়া মানেই কোনো ব্যক্তি নিশ্চিতভাবে অসুস্থ বা ক্যানসারে আক্রান্ত হবেন—এমন সিদ্ধান্ত টানা যায় না।

চালের ভেতর দূষকের প্রবেশ

ব্রি গবেষক হাবিবুল বারী সজীব বলেন, মাটি ও পানি থেকে ধানগাছ বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও ভারী ধাতু গ্রহণ করলেও সেগুলোর সবটাই ধানের শস্যদানা বা চালে একই মাত্রায় পৌঁছায় না।

তিনি বলেন, ধানের শিকড় ও খড়ে ভারী ধাতুর পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। ধানের তুষ বা খোসার পরিমাণও বেশি হতে পারে; চালের যে শস্যদানা মানুষ খায়, সেখানে তা তুলনামূলক কম পাওয়া যেতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এস এম ইমামুল হক বলেন, দেশের কিছু এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক রয়েছে এবং সেচের মাধ্যমে তা খাদ্যচক্রে প্রবেশ করতে পারে।

তার মতে, খাবারে অতিরিক্ত মাত্রার আর্সেনিক দীর্ঘদিন গ্রহণ করলে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। তাই ধান-চালে আর্সেনিকের মাত্রা নিয়ে নিয়মিত গবেষণা ও সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

ভাত খাওয়া বন্ধ করার ‘কারণ নেই’

বাংলাদেশে মানুষের খাদ্যতালিকায় চালের গুরুত্ব অনেক বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর খানা আয় ও ব্যয় জরিপের হিসাবে, একজন মানুষের দৈনিক গড় চাল গ্রহণের পরিমাণ ৩২৮ দশমিক ৯ গ্রাম।

তবে চালে দূষণের মাত্রা নিয়ে প্রাথমিক গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষের ভাত খাওয়া বন্ধ করা বা কমিয়ে দেওয়ার কেনো কারণ নেই বলে মনে করেন ব্রির গবেষকরা।

তবে তারা একই সঙ্গে বড় পরিসরে গবেষণা ও নিয়মিত বাজার নজরদারির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

হাবিবুল বারী সজীব বলেন, “পরীক্ষিত নমুনায় ক্যাডমিয়াম, সীসা এবং নির্বাচিত কীটনাশকের ক্ষেত্রে সামগ্রিক চিত্র আশাব্যঞ্জক; অধিকাংশ নমুনায় অজৈব আর্সেনিকও কোডেক্স সীমার মধ্যে ছিল।

“তাই এই গবেষণার ভিত্তিতে চাল বা ভাত খাওয়া বন্ধ করা কিংবা অযথা কমিয়ে দেওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে এটাও মনে রাখতে হবে, এটি মাত্র ১০৪টি নমুনার একটি পাইলট গবেষণা।”

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সব বাজার, সব ধানের জাত, উৎপাদন অঞ্চল ও মৌসুমের চাল সম্পর্কে এই গবেষণার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।

হাবিবুল বারী সজীব বলছেন, পরবর্তী ধাপে আরও বড় জাতীয় পর্যায়ের জরিপ, নিয়মিত বাজার নজরদারি, অঞ্চল ও মৌসুমভিত্তিক নমুনা পরীক্ষা এবং তুলনামূলক বেশি আর্সেনিক পাওয়া চালের উৎস শনাক্ত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি নিরাপদ সেচব্যবস্থা, কম আর্সেনিক গ্রহণকারী ধানের জাত এবং উপযোগী প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তি নিয়েও গবেষণা বাড়ানো দরকার।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নজরদারি

চালের নমুনায় দূষকের মাত্রা নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সহনীয় মাত্রার নিচে থাকা দূষকের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

কৃষি, প্রাণিসম্পদসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার কথাও জানান শফিকুল ইসলাম।

শাক-সবজি ও ফলমূলে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার, পশুপাখির ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার এবং কীটনাশক প্রয়োগের পর নির্ধারিত সময় না মেনে ফসল বাজারজাত করার মতো বিষয়গুলোও নজরদারির আওতায় আনার কথা বলেন তিনি।

ধান-চালের হালচাল

ধান উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ৪ কোটি ৬০ লাখ টন চাল উৎপাদন হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুল আলীম ‘বাংলাদেশে ধান ও চালের পুষ্টি নিরাপত্তা ও নিরাপদতা’ বিষয়ে লিখেছেন, রাইস কার্নেলে ২০ শতাংশ হাস্ক বা হাল থাকে। ৮-১২% থাকে রাইস ব্রান এবং ৬৮-৭২% থাকে হোয়াইট রাইস বা মিলড রাইস।

রাইস কার্নেলের বাইরের অংশকে হাস্ক বা হাল বলে। তারপর রাইস ব্রান থাকে। রাইস ব্রানের তিনটি অংশ থাকে। বাইরের অংশকে পেরিকার্প, মাঝের অংশকে সিডকোট এবং ভেতরের অংশকে নিউসেলার টিস্যু বলে। রাইস ব্রানের পরেই রয়েছে এন্ডোস্পার্ম। এন্ডোস্পার্ম এর রয়েছে দুটি অংশ এলিউরোন সেললেয়ার এবং স্টার্চ গ্যানিউলস। আরো রয়েছে জার্ম/এমব্রায়ও।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সাবেক এ সদস্যের ভাষায়, রাইস কার্নেলের কেন্দ্র থেকে বাইরের অংশে অর্থাৎ হাস্কের পরেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণ পুষ্টি থাকে যেমন প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন ও মিনারেলস। রাইস কার্নেলের ভেতরে শুধু থাকে স্টার্চ। অতিরিক্ত পলিশিং এর ফলে তাই চালের পুষ্টি উপাদান কমতে থাকে।

ব্রাউন রাইস, ৫% পলিশড ও ১০% পলিশড (ব্রি ধান২৮) পারবয়েলড ও আন-পারবয়েলড অবস্থায় প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেড, ভিটামিন ই১, ভিটামিন ই২, ভিটামিন ই৩, ভিটামিন ই৬ এবং ভিটামিন ই৯, ফেরাস, ম্যাংগানিজ, জিংক, ক্যালসিয়াম, ম্যানেসিয়াম এবং ফসফরাস বিশ্লে¬ষণ করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ।

তাতে দেখা গেছে, ব্রাউন রাইস থেকে পলিশিং যত বাড়বে প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন ইত্যাদি তত দ্রুত গতিতে কমতে থাকবে। শুধু মাত্র কার্বোহাইড্রেট বাড়তে থাকবে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত ১২৭টি (১১৭টি ইনব্রিড ও ১০টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ২৫টি জাতের ধান এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৩টি জাতের ধান অবমুক্ত করেছে। এছাড়াও বাংলাদেশের কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বেশ কিছু নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।

বাংলাদেশে সর্বাধিক ধান উৎপন্ন হয় এমন ১৮টি জেলায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট (এফপিএমইউ) ইতোমধ্যে একটি সমীক্ষা চালিয়েছে।

এসব জেলায় বাজারজাত করা চালের সর্বাধিক ব্র্যান্ড হিসাবে ব্রি ধান২৮ ও ব্রি ধান২৯, মিনিকেট, নাজিরশাইল, স্বর্ণা নামে চাল বাজারজাত করা হচ্ছে।

বিআর২৮ কে ২৮ নম্বর হাসকি, ২৮ স্পেশাল, ২৮ নম্বর মিনিকেট, লিচু ২৮, থ্রিস্টার ২৮, হামিদ ২৮ নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। ব্রি ধান ২৯ কে ২৯ স্পেশাল, ২৯ নম্বর মিনিকেট, লিচু ২৯, থ্রিস্টার ২৯, হামিদ ২৯ নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। মিনিকেট চালকেও স্থান এবং চালকল ভেদে বিভিন্ন নাম দিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে।

পুরনো খবর

পুরানো খবর:

ঢাকায় ৯৭% জারের পানিতে মলের ব্যাকটেরিয়া!

পুরানো খবর:

খাদ্যচক্রে ভারী ধাতু: বিপদের উৎস কোথায়

পুরানো খবর:

শাক-সবজি ও পেয়ারায় ‘অতিমাত্রায়’ ভারী ধাতু কী বার্তা দিচ্ছে

পুরানো খবর:

শরীরে জমছে মাইক্রোপ্লাস্টিক: কতটা বিপদে আমরা?

পুরানো খবর:

উদ্বেগের মধ্যে আশা ‘বেঙ্গল ওয়াটার মেশিন’