Published : 20 Sep 2026, 01:55 AM
ঢাকা-ময়মনসিংহ বিভাগের শিল্পাঞ্চলে ইতোমধ্যে শাক-সবজিতে সহনীয় মাত্রার বেশি সীসা ও ক্যাডমিয়ামসহ বিভিন্ন রকমের ভারী ধাতু মিলেছে। এবার রাজশাহী বিভাগে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা পেয়ারার নমুনাতেও অতিরিক্ত মাত্রায় ভারী ধাতু পাওয়ার কথা বলছেন গবেষকরা।
মানুষের খাদ্য তালিকায় সবচেয়ে কাছাকাছি থাকা ফলটিতে ভারী ধাতু স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাত্রায় পেলেও গবেষকদের তরফে এতে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ এসেছে। মাটি ও পানিতে দূষণ রোধে সচেতনতার পাশাপাশি আরও বিস্তর গবেষণার তাগিদ দিচ্ছেন তারা।
‘কম্পেরেটিভ অ্যাসেসমেন্ট অব হেভি মেটাল কন্টামিনেশন অ্যান্ড নন-কার্সিনোজেনিক অ্যান্ড কার্সেনোজেনিক হেলথ রিস্কস ইন গোয়াভা ফ্রম হোম গার্ডেন অ্যান্ড কমার্শিয়াল ফার্মস ইন রাজশাহী ডিভিশন’ শিরোনামে নিবন্ধটি গত অগাস্টে আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী ‘জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালাইসিস’ এ প্রকাশ পায়।
গবেষক দলের প্রধান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পুষ্টি ও খাদ্য প্রকৌশল বিভাগের প্রভাষক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলার ১০টি অঞ্চলের ২০টি জায়গা থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। বিশেষ করে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা পেয়ারায় তুলনামূলকভাবে বেশি মাত্রায় কিছু ভারী ধাতু পাওয়া গেছে।
“এই ফলাফল বাংলাদেশের সব এলাকার পেয়ারা প্রতিনিধিত্ব করে না। নমুনা ও গবেষণার পরিধি নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল ও স্থানকে কেন্দ্র করে ছিল।”
তার কথায়, “আমাদের গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ভয় তৈরি করা নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আনা। আমাদের ফলাফল দেখিয়েছে যে পেয়ারাতেও হেভি মেটাল কনটামিনেশনের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। কারণ পেয়ারা দেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যাপকভাবে খাওয়া হয় এমন একটি ফল।
“বসতভিটার পেয়ারার চেয়ে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা পেয়ারায় ভারী ধাতুর উপস্থিতি বেশি রয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে কাজ করা জরুরি।”
সাখাওয়াত হোসেন ফলমূলে ভারী ধাতুর দূষণ নিয়ন্ত্রণে কৃষকসহ সংশ্লিষ্টদের উৎসাহিত করার পরামর্শ দিয়েছেন।
কী মিলেছে পেয়ারায়
সাখাওয়াত হোসেন ২০২৫ সালে পেয়ারা নিয়ে গবেষণা করেন। তার সঙ্গে ছিলেন শারমিন আশা, মো. আব্দুল হালিম, নিজাম উদ্দিন, তামিনা আক্তার, মো. শোভন আল ফুয়াদ ও লিসা খানম। গবেষণা দলের সদস্যরা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পিএইচডি শিক্ষার্থী।
গবেষণার জন্য রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট এলাকার পেয়ারা সংগ্রহ করেন তারা। নমুনায় সীসা (লেড), ক্যাডমিয়াম, আর্সেনিক ও তামার (কপার) মাত্রা পরীক্ষা করা হয়।
ফলাফলে দেখা যায়- প্রতি কেজি পেয়ারায় সীসা দশমিক ১ মিলিগ্রাম আদর্শ হলেও পাওয়া গেছে ২ দশমিক শূন্য ৫ মিলিগ্রাম। আর্সেনিকের গ্রহণযোগ্য মাত্রা প্রতি কেজিতে ১ মিলিগ্রাম হলেও পেয়ারায় মিলেছে ৩ দশমিক ৮৪ মিলিগ্রাম।
অপরদিকে ক্যাডমিয়ামের গ্রহণযোগ্য মাত্রা দশমিক শূন্য ৫ মিলিগ্রাম হলেও পাওয়া গেছে ১ দশমিক ৮৮ মিলিগ্রাম। তামা মিলেছে ৯ দশমিক শূন্য ৪ মিলিগ্রাম, যেখানে গ্রহণযোগ্য মাত্রা ৪ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম।
পেয়ারার ৬০টি নমুনার মধ্যে ৩০ শতাংশ নমুনায় সহনীয় মাত্রার বেশি আর্সেনিক, ৭০ শতাংশ নমুনায় গ্রহণযোগ্য মাত্রার বেশি সীসা এবং ৯০% নমুনায় ক্যাডমিয়াম পাওয়া গেছে।
সবজিতে দূষণ শিল্পাঞ্চলে বেশি
শাকসবজি নিয়ে ‘হেভি মেটাল কনটামিনেশন ইন ভেজিটেবলস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটেড হিউম্যান হেলথ রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট’ শিরোনামে গবেষণা করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের দুই শিক্ষক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া।
ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ছয় জেলা থেকে নয় ধরনের সবজি সংগ্রহ করেন তারা। এর মধ্যে ছিল আলু, বেগুন, ঢেঁড়স, টমেটো, লাল শাক, পটল, বাঁধাকপি, শসা ও মটরশুঁটি।
এসব সবজিতে লেড (সীসা), ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়ামসহ বেশ কয়েকটি ভারী ধাতুর উচ্চমাত্রার উপস্থিতি পাওয়া গেছে; সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর মাত্রায় ভারী ধাতুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে লাল শাকে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ২০২৪ সালে এ গবেষণা করা হয়। এখন নিবন্ধ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।
অধ্যাপক মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া বলেন, “নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার, ময়মনসিংহ, শেরপুর- এই জায়গাগুলোর মধ্যে যেখানে শিল্পাঞ্চল এলাকা বেশি, সেসব জায়গা থেকে যে সবজিগুলো আসছে সেগুলোতে হেভি মেটাল বেশি পেয়েছিলাম। শিল্পাঞ্চলে সাধারণ ভারী ধাতু মাটিতে যাচ্ছে বেশি, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার শাক-সবজিতেও এর মাত্রা তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে।”
লাল শাক, বেগুন, ঢেঁড়স ও টমোটোতে ক্যাডমিয়ামের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা প্রতি কেজিতে ১৯০ মাইক্রোগ্রাম।
তবে গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, লাল শাকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ক্যাডমিয়ামের মত ভারী ধাতু রয়েছে। এতে ক্যাডমিয়াম পাওয়া গেছে ৭০৪ দশমিক ৩২ মাইক্রোগ্রাম। আর প্রতি কেজি বেগুনে পাওয়া গেছে ২৭৫ দশমিক ৬৬ মাইক্রোগ্রাম, ঢেঁড়সে ৩৪৯ মাইক্রোগ্রাম ও টমেটোতে পাওয়া গেছে ১৯৫ মাইক্রোগ্রাম।
সবজিতে ভারী ধাতুর উপস্থিতি কমিয়ে আনার ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে গোলাম কিবরিয়া বলেন, “প্রথমত সবচেয়ে বড় কাজ যেটা, এগুলো যাতে মাটিতে কম যায় সেই প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া। এ ছাড়া এটাকে (ভারী ধাতু) পরিত্যাগ করার কোনো উপায় নাই। কারণ গাছ তো মাটি থেকে নিউট্রিয়েন্টগুলোকে (পুষ্টি উপাদান) গ্রহণ করবে। এই নিউট্রিয়েন্টের সঙ্গেই মেটালগুলো প্লান্টে গিয়ে জমা হয় “
তিনি বলেন, “এটা নিয়ে আসলে করণীয় অনেক কিছুই রয়েছে। শাকসবজি বা ফলে হেভি মেটাল যেগুলো আছে, সীসা অথবা ক্যাডমিয়াম-এগুলো মাটিতে থাকে, এগুলো মিশবেই, আটকানোর উপায় নাই।
“শিল্পের বর্জ্য, অটোরিকশার ব্যাটারি ও সারে ভারী ধাতু থাকতে পারে, যা মাটিতে মিশে যায়। এটাকে কমিয়ে আনার একমাত্র উপায় হচ্ছে যাতে মাটিতে যোগ না হয়। অন্যতম উৎস হচ্ছে মাটি, আরেকটা অংশ সেচের পানি। মাটি বা পানি যদি দূষিত হয়, তাহলে চারা বা গাছের সঙ্গে মিশে যাবেই।”
দূষণ রোধে সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন বলে মনে করেন অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া।
“মন্ত্রণালয় বা ইনস্টিটিউট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না; এটা খুবই কঠিন। এজন্য কোনো একক দায়িত্ব দেওয়া খুব কঠিন।…আমরা যখন খাচ্ছি, রান্না করার পর আসলে কতটুকু থাকছে বা শরীরে ঢুকছে এটার গবেষণা দরকার। এখানে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই; সচেতনতাই জরুরি।”
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন
খাবারে ভারী ধাতুকে বিপজ্জনক বলছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও রোগতত্ত্ববিদ মুশতাক হোসেন।
তিনি বলেন, “খাবারে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি এ ধরনের ভারী ধাতু পাওয়া যাচ্ছে, এরপর ভেজাল। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এটাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ব্যবস্থা নেবে আশা করি।
“ঘরে-বাইরে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে উদ্যোগ থাকতে হবে। বিশেষ করে শাক-সবজি, ফলমূলে ক্ষতিকর উপাদান মিশছে; বিষাক্ত রঙ ব্যবহার হচ্ছে। এ ধরনের অপতৎপরতা রোধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে আতঙ্কের চেয়ে ব্যবস্থা নেওয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।”
জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক সৈয়দ আবু আহাম্মদ শাফী বলেন, “বর্তমানে দেশের এমন কোনো খাদ্য নেই, যেখানে বিষাক্ত পদার্থ, ধাতু বা মাইক্রোপ্লাস্টিক নেই। প্রায় সব খাদ্যে নানা কিছুর উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে। এসব কিছু মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। দেশের ফুড সেফটি নিয়ে বৃহৎ আকারে কাজ হওয়া দরকার, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেটি হয় না।
“ফুড সেফটি আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছিল, কিন্তু পরে আইন করে তারা পৃথক হয়ে গেছে। এতে আরো খারাপ হয়েছে, কারণ তাদের যে জনবল তা দিয়ে কিছুই হয় না। দেশের ১৮ কোটি মানুষের নিরাপদ খাদ্যের জন্য অনেক কাজ করতে হয়।”
আহাম্মদ শাফীর কথায়, “মানুষের শরীরের বর্তমানে হার্ট, কিডনিসহ বিভিন্ন অঙ্গে এমন রোগ হচ্ছে, যার সঙ্গে ভাইরাস-ব্যাক্টেরিয়ার সম্পর্ক নেই, যেগুলোর মূল কারণ খাদ্য। তাই আমরা শুধু হাসপাতাল-আইসিইউ তৈরি করে রোগ ঠেকাতে পারব না। এটির জন্য এমন একটা সময় আসবে, হয়ত সবার খাদ্য নিরাপত্তায় কাজ করতে হবে।”
পেয়ারা নিয়ে গবেষণা করা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “৬০টি নমুনা ল্যাব পরীক্ষা করা হয়েছে। যত ধরনের নমুনা ছিল, সেখানে ৯০ শতাংশের মধ্যে ক্যাডমিয়াম, ৭০ শতাংশ সিসা এবং ৩০ শতাংশে আর্সেনিকের যে মাত্রা আছে, সেটা হচ্ছে অনুমোদিত সীমার চেয়ে অনেক বেশি। কপার একটু কম আছে।
“হেভি মেটাল যদি কোনো খাবারে থাকে, খাওয়ার পর তা শরীর থেকে বের হয় না। আমাদের শরীরে জমা হতে থাকে, হাড়ের মধ্যে জমা হয়, সেলের মধ্যে জমা হতে থাকে এবং দীর্ঘ একটা পর্যায়ে কিন্তু ক্যানসার হতে পারে। কারণ হচ্ছে, ভারী ধাতুর বৈশিষ্ট্য সেল ড্যামেজ করতে পারে, ডিএনএ স্ট্রাকচার চেঞ্জ করে দেয়, তখন ওগুলো উল্টাপাল্টা কাজ করে।”
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এ শিক্ষকের মতে, অতিরিক্ত ভারী ধাতু যে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং কিছু শরীরে জমে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে, সেটি বৈজ্ঞানিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত।
এ ব্যাপারে দূষণের উৎস নিয়ন্ত্রণ, কৃষকদের সচেতন করা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
“আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। পেয়ারা খাওয়া বন্ধ করারও প্রয়োজন নেই। বরং প্রয়োজন সচেতনতা, সঠিক গবেষণা এবং যথাযথ মনিটরিং।”
সরকারের পদক্ষেপ কী
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারসহ সবার সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মঙ্গলবার এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, “নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এ কাজে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
“নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের। বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের মান পরীক্ষা করে যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তা থেকে আমাদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।”
খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেন তিনি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ গত ২৩ অগাস্ট এক অনুষ্ঠানে বলেন, “দেশের মাটি ও পানিতে হেভি মেটালের উপস্থিতি উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। লেড ও আর্সেনিকের মত ক্ষতিকর উপাদান পানিতে পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি চালেও হেভি মেটালের উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এসেছে।
“এসব উপাদান কোথা থেকে আসছে? মাটি, ভূগর্ভস্থ পানি, সার নাকি পেস্টিসাইড; তা চিহ্নিত করতে সরকার গবেষণা শুরু করেছে।”
দূষণ রোধে সরকারের ‘সর্বাত্মক চেষ্টার’ কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাটি ও পানি দূষণ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো বিকল্প নেই। এ বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।