০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার চালগুলো ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল।
“আমরা চাই, ভোক্তারা যেন ঘরে রান্না করেও বিয়ে বাড়ির স্বাদ, সুগন্ধ ও আনন্দ উপভোগ করতে পারেন,” বলেন ফারিয়া হোসেন।
চালের গুণগত মান খুবই ভাল পাওয়ায় অতিরিক্ত ৩৬২ টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা।
অর্থ উপদেষ্টা এর আগেও দুই দফা ভারত থেকে চাল আমদানির কথা বলেছিলেন।
চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশির হওয়ার কারণে হিলি স্থলবন্দরের বাজারে চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।
“যেখানে দিনের আলোর মত বাতি জ্বলছিল, সেখানে চুরির ঘটনা মানে আইন-শৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি।”
“কিন্তু যারা চাল উৎপাদন করেন তাদের আক্ষেপ আছে, তারা ন্যায্য মূল্যটা পাচ্ছে না। সে দিকটাও আমাদেরকে দেখতে হবে।”
এর প্রভাব বাংলাদেশের চালের বাজারে কতটা পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।