বাংলাদেশে অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন আমাদের লক্ষ্য: যুক্তরাষ্ট্র

“এটা এমন দেশ যার সঙ্গে আমরা সম্পর্ক ও অংশীদারত্বকে ধারাবাহিকভাবে গভীর করতে চাই,” বলেন বেদান্ত প্যাটেল।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 10 Nov 2023, 09:30 AM
Updated : 10 Nov 2023, 09:30 AM

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে মন্তব্য এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, বাংলাদেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক, এটাই কেবল যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

বৃহস্পতিবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে এক প্রশ্নে পররাষ্ট্র দপ্তরের উপপ্রধান মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, “আমাদেরকে যেভাবে বলতে শুনেছেন, আমরা কোনো দেশের কোনো সরকার কিংবা রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে সমর্থন করি না।

“এবং যেসব জায়গায় নির্বাচন হচ্ছে, আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সেই নির্বাচন যাতে ওই দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানিয়ে অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়।”

দুই বিরোধী শিবিরের বিপরীতমুখী অবস্থান আর পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে অনেকটা ধারাবাহিকভাবে উঠে আসছে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গ।

বৃহস্পতিবার বেদান্ত প্যাটেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশের বিরোধীদল সাধারণ নির্বাচনের আগে অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র তা সমর্থন করেন কিনা?

উত্তরে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, “আমি নিশ্চিত এই প্রশ্নের উত্তর আমি গতকাল বা তার আগের দিন কিংবা তার আগের দিন দিয়েছি।”

তখন প্রশ্নকর্তা বলেন, “আমরা প্রত্যেকবার উত্তর পাচ্ছি, আপনারা প্রত্যেকে বাংলাদেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চান।”

এরপর প্যাটেল বলেন, “সেই অবস্থানই আছে।”

প্রশ্নকর্তা অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে ‘হ্যাঁ কিংবা না’ উত্তর চাইলে নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন উপপ্রধান মুখপাত্র।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের অর্জনের বিষয়ে প্যাটেলের মূল্যায়ন জানতে চান ওই সাংবাদিক।

উত্তরে মুখপাত্র বলেন, “এ বিষয়ে আমি বড় পরিসরেই বলব, যেভাবে আপনারা আমাকে এর আগেও বলতে শুনেছেন যে, গত বছর আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন করেছি।

“এবং অবশ্যই এটা এমন দেশ যার সঙ্গে আমরা সম্পর্ক ও অংশীদারত্বকে ধারাবাহিকভাবে গভীর করতে চাই। সেটা অনেকগুলো ক্ষেত্রে চলমান থাকবে, যার মধ্যে বাণিজ্য, জলবায়ুর ক্ষেত্রে সহযোগিতা, নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা এবং সম্ভাবনাময় অন্যান্য খাত রয়েছে।”