Published : 15 Jun 2026, 05:50 PM
সমুদ্রে মাছ ধরায় ৫৮ দিনে নিষেধাজ্ঞার সময় ৩ হাজার ৫০২টি অভিযান এবং ৫৮টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার তথ্য দিয়েছে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
এর আওতায় ২ হাজার ৪৩৮টি অবতরণ কেন্দ্র, ৯ হাজার ১৫১টি মাছঘাট, ১৭ হাজার ৫৮৫টি আড়ৎ এবং ১৬ হাজার ৪৯৪টি বাজার পরিদর্শনের কথা বলেছে তারা।
মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, এসব অভিযানে ১১৯০ টন মাছ এবং ৫৪৩ লাখ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়।
একইসঙ্গে ৪৮টি মামলা দায়ের, ৪৫ লাখ ৯৪ হাজার ৬০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় এবং ২৬ জন জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এছাড়া নিলাম থেকে আয়কৃত ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৬০০ টাকা সরকারের কোষাগারে জমা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এই সময়ে জেলেদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৫৮ দিনে ২৪ হাজার ১৬৫ দশমিক ৬২৫ মেট্রিক টন ভিজিএফ (চাল) বিতরণ করার তথ্য দিয়েছে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ।
১৪ জেলার ৬৯টি উপজেলায় ৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০টি মৎস্যজীবী পরিবারকে মাসিক ৪০ কেজি হারে এই চাল বিতরণ করা হয়েছে বলে সোমবার মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
চালের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় বাবদ ৬০ লাখ ৪১ হাজার ৪০৬ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় বলে মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য।
মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণ নিশ্চিতে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ছিল।
নিষেধাজ্ঞা কার্যক্রমের আওতায় চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের ১৪টি উপকূলীয় জেলার ৬৭টি উপকূলীয় উপজেলা এবং চট্টগ্রাম মহানগর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এ সময় ১৪টি উপকূলীয় জেলা ও সংশ্লিষ্ট উপজেলায় ৬০টি টাস্কফোর্স কমিটির সভা, ২৬০টি সচেতনতামূলক সভা, ১২ হাজার ৬৭৮টি ব্যানার ও পোস্টার স্থাপন এবং ৬৮ হাজার ৭৫টি লিফলেট বিতরণ করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।