Published : 08 Aug 2025, 11:22 PM
জুলাই সনদের ‘সমন্বিত পূর্ণাঙ্গ খসড়া’ আগামী দুই দিনের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ।
তিনি বলেছেন, “এ নিয়ে ঐকমত্য হলে জুলাই সনদ সইয়ের দিনক্ষণ ঠিক করা হবে, অন্য মত পেলেও বিবেচনা করা হবে।”
শুক্রবার ‘জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের অগ্রগতি নিয়ে’ সংসদ ভবনের এলডি হলে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ কথা বলেন।
একজন সাংবাদিক জানতে চান, কবে নাগাদ জুলাই সনদে সই হতে পারে?
উত্তরে আলী রীয়াজ বলেন, “কবে নাগাদ জুলাই সনদ- সেটা নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আমাদের আলোচনার তৃতীয় পর্বে, বিশেষত বিশেষজ্ঞদের মতামত পাওয়ার পর। আমরা যেটা বলেছি, প্রাথমিক একটা খসড়া দেওয়া হয়েছে সবাইকে, সে খসড়া অনুযায়ী তারা মন্তব্য করেছে।
“খসড়া থেকে এসব মন্তব্যের ভিত্তিতে ‘সমন্বিত পূর্ণাঙ্গ খসড়া’ আবার পাঠাব আগামী দুদিনের মধ্যে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সকলেই একমত হয় স্বাক্ষরের দিন-তারিখ ঠিক করা যাবে।”
ঐকমত্য কমিশন বলছে, প্রথম পর্বের সংলাপে ১৬৬টি প্রস্তাবের মধ্যে ৬২টি বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য অর্জিত হয়েছে। যার কিছু কিছু অধ্যাদেশ, নীতি ও নির্বাহী সিদ্ধান্তে সরকার এরইমধ্যে বাস্তবায়ন করেছে।
দ্বিতীয় পর্বের সংলাপে গুরুত্বপূর্ণ ২০টি সাংবিধানিক বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে ১১টি বিষয়ে সবদলের সমর্থনে জাতীয় ঐকমত্য এবং বাকি ৯টি বিষয়ে অধিকাংশ দলের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেওয়া এই ৯টি বিষয় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত কমিশন নেবে বলে জানান আলী রীয়াজ।
তিনি বলেন, “এখন ঐকমত্য কমিশন- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার পথ কী হবে তা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক দলের দিকে। তাদের মতামত পেতে আগামী সপ্তাহে স্বল্প মেয়াদে তৃতীয় পর্বের আলোচনা শুরু হবে।”
জুলাই সনদ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাস্তবায়ন হবে নাকি আগামী সংসদের উপর ছেড়ে দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত কমিশন দেবে না বলেও জানিয়েছেন আলী রীয়াজ।
তিনি বলেন, “এটা রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ওপর নির্ভর করবে, বিশেষজ্ঞদের মতামতের ওপর নির্ভর করবে বাস্তবায়নের পথটা কী হবে। আমরা কোনো পূর্ব নির্ধারিত অবস্থান থেকে- বাস্তবায়নের কোনো পথই ঐকমত্য কমিশন সুপারিশ করছে না।”

স্থানীয় সরকারে প্রভাব বিস্তার কি চলবে?
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে এক সাংবাদিক বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির ওপর আইন সভার সদস্যদের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ রয়েছে, এটা রোধ করা না গেলে জুলাই সনদ অসম্পূর্ণ হবে। জুলাই সনদ তৈরির মধ্যেই দলগুলোর দাবির মুখে ভোটের সময়সীমার ঘোষণা করা হল। এ অবস্থায় ঐকমত্য কমিশন অস্বস্তিতে রয়েছে কি না?
উত্তরে আলী রীয়াজ বলেন, “স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদ সদস্যদের যে প্রভাব তা আইনত বৈধ নয়। আদালতের রায়ও রয়েছে এ বিষয়ে। প্রথম ধাপে ৬২ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, তার মধ্যে কিছু কিছু বিষয় রয়েছে; স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের প্রভাব রোধে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে।”
জাতীয় সনদের আলোকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, “কোনো কোনো দল সনদের ভিত্তিতে নির্বাচনের কথা বলছে। এখন নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যুক্ত নয়। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যে জাতীয় জুলাই সনদের কথা বলেছি।”
ক্ষমতার ভারসাম্য হবে?
সংবিধান সংস্কার ও ইসির সংস্কার সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতির বিষয় জানতে চান একজন সাংবাদিক।
আলী রীয়াজ বলেন, “সংবিধান সংস্কার কমিশনের একটি লক্ষ্য হচ্ছে ক্ষমতার ভারসাম্য। সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ছিল কতগুলো, ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কেবল প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য নয়।
“…প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ও একাধিক পদে না থাকার বিষয়ে যদিও বিভিন্ন বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে- অধিকাংশ দলের কাছ। এগুলো ক্ষমতা এককেন্দ্রীকরণ রোধ করার চেষ্টা করবে।”
তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন- জনপ্রতিনিধি নির্বাচন যে কাঠামোতেই হোক। আশা করি, সংস্কার কমিশন থেকে যে কাঠামোগত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে, সেটা বাস্তবায়ন করা হবে। সরকার ও ইসিকে বলা হয়েছে। আশা করছি, কোনো বিষয় কনফ্লিক্টিং হবে না।”
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার না করলে ভেঙে পড়া ব্যবস্থা পুনর্গঠন করা জরুরি বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক রীয়াজ।
কমিশনের সফলতা কতটুকু
এক সাংবাদিক জানতে চান, সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে ঐকমত্য কমিশন সফল কি না?
উত্তরে আলী রীয়াজ বলেন, “সাফল্য বিষয়টা সব সময় পার্সপেকটিভের ওপর নির্ভর করে। আমাদের দিক থেকে যে লক্ষ্য অর্জন করতে চেয়েছি, সেটা সংস্কারের বিষয়ে রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা।
“আমরা সে অর্থে জুলাইয়ের মধ্যে করতে চেয়েছিলাম। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে উপনীত হতে পেরেছি- প্রথমে ৬২টিতে ঐকমত্য হয়ে। পরবর্তীতে ১৯টির মধ্যে ১০টিতে পুরোপুরি একমত হয়েছে।
“এ জায়গা থেকে বিবেচনা করলে দেশের ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে এটা একটা বড় রকমের অর্জন। সেজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে ধন্যবাদ। তারা চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কমিশন সহযোগিতা করেছে। কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত একটা জায়গায় আসতে পারে।”
দলগুলোর মত পার্থক্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত সমঝোতা আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, “দলগুলো আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। আমাদের লক্ষ্য- আশা করি, সনদ স্বাক্ষরিত হবে। সেটার জন্য আমরা কাজ করছি।”
কমিশনের মেয়াদ বাড়বে?
ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে মধ্য অগাস্টে। এর মধ্যে আগামী সপ্তাহে সংলাপের তৃতীয় পর্ব শুরু হতে যাচ্ছে। তাহলে কি কমিশনের মেয়াদ বাড়ছে?
ঐকমত্য কমিশনের সহ সভাপতি রীয়াজ বলেন, “কমিশনের মেয়াদ নির্ধারণ করবে সরকার। আগামী দিন সাতেক এর মধ্যে কতটুকু অগ্রসর হতে পারব, দল ও বিশেষজ্ঞদের আলোচনার উপর নির্ভর করবে। সরকার যদি মনে কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধি করার, সরকার সে সিদ্ধান্ত নেবেন।”
তিনি বলেন, কাজের অগ্রগতি কমিশনের সভাপতি প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
তবে ঐকমত্য কমিশনের তরফে সময় বাড়ানোর সুপারিশ করা হবে না বলে জানান আলী রীয়াজ।
“আমরা আলাদা করে সুপারিশ করব না মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে। এটা সরকারের উপর নির্ভর করে। মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন আছে কি না, সেটা বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের যদি মনে হয়- বাড়ানোর প্রয়োজন, আশা করি সরকার দেখবে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া সৌভাগ্যক্রমে চূড়ান্ত করে ফেলতে পারি, তাহলে মেয়াদ বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না।”
সুষ্ঠু ভোটের আশা
নির্বাচনের আগে এ সংক্রান্ত সংস্কার কমিশনের কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব কি না, জানতে চান একজন সাংবাদিক।
আলী রীয়াজ বলেন, “নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের কিছু প্রস্তাব আশু, কিছু প্রস্তাব দীর্ঘমেয়াদি। এর কিছু বাস্তবায়ন হচ্ছে।
“…আশা করি, ইতোমধ্যে সংস্কার পদক্ষেপ নেওয়া দরকার; ইসির পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে ও আরও পদক্ষেপ নেবে।”
এক সাংবাদিক জানতে চান, বর্তমান বাস্তবতায় ফেব্রুয়ারির ভোট কতটুকু সুষ্ঠু হবে? ‘ফ্যাসিবাদী’ ব্যবস্থা ঠেকানো যাবে?
অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, “কেবল একটি নির্বাচন ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পুনরুত্থান বন্ধ করতে পারবে না। তার জন্য একাধিকক্রমে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, সাংবিধানিক বিধি ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। নির্বাচনি ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিরও পরিবর্তন করা দরকার।”
আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে আশা রেখে ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ বলেন, “আমরা আশাবাদ রেখেই কাজ করেছি, দেশের সব নাগরিক চান- একটা সুষ্ঠু নির্বাচন। দেশ একটা গণতান্ত্রিক কাঠামোর দিকে অগ্রসর হই।”
কমিশনের খরচ কত?
ছয় মাসে ঐকমত্য কমিশনের পরিচালন ব্যয় কত? জানতে চান একজন সাংবাদিক।
আলী রীয়াজ বলেন, “পরিচালন ব্যয় নিয়ে সরকারের নিশ্চয় অডিট হবে। সরকারের পক্ষ থেকে যেসব ব্যয় ভার নির্বাহ করা হয়েছে, এ কমিশন আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করেছে। সাচিবিক সহায়তা আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয় থেকে দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছে হিসাব আছে। যখন অডিট করবে, নিশ্চয়ই পরিচালন ব্যয় কত আমরা জানতে পারব।”
এসময় প্রধান উপদেষ্টার ঐকমত্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, কমিশন নিজে কোনো অর্থ খরচ করে না। ঐকমত্য কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে কাজ করে।
“কিন্তু কমিশনকে আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয় সাচিবিক সহায়তা করে। সুতরাং এ সম্পর্কিত যাবতীয় খরচ নির্বাহ করে দুই সচিবালয়।”

‘নোট অব ডিসেন্টের’ ভবিষ্যৎ কী?
ঐকমত্য কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে ভিন্নমত বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ এসেছে। সনদ স্বাক্ষরিত হওয়ার পর ভিন্নমতের ভবিষ্যত কী হতে পারে?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ বলেন, “নোট অব ডিসেন্ট বিষয়ে আমরা বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলব। আসলে এ ধরনের পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতাটা কী; আমাদের বাস্তবতাটা কী।
“কী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করা গেল, নোট অব ডিসেন্টের যেমন গুরুত্ব আছে- এটাও আমাদের উল্লেখ করা দরকার। সংখ্যাগরিষ্ঠ, ব্যাপক সংখ্যক দল যখন ঐকমত্যে পৌঁছায়, তার গুরুত্বও আমাদের বিবেচনা করতে হবে। ফলে আইনি দিক থেকে এবং সাংবিধানিক বিষয়গুলো নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা হবে।”
আলী রীয়াজ বলেন, “আমাদের টিম যে অবস্থান তৈরি করবে, মনে হবে যে আমরা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা কমিশনের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি; কমিশনের বাইরে থেকে যারা অন্যান্য কমিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের মতামত বুঝতে চাই, দেখতে চাই। সে হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করতে চাই।”
জাতীয় সনদ তৈরির ক্ষেত্রে ঐকমত্য কমিশনের তরফে ১৬৬টির সুপারিশ উপস্থাপন করা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, “সেটা হয়নি, হবেও না। প্রথম বিষয় হচ্ছে- সব বিষয়ে ঐকমত্য হবে না, জানি। দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে, আমরা চাপিয়ে দিতে চাচ্ছি না। ফলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নোট অব ডিসেন্ট আসছে।
“…যেমন ২৫টি বিষয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনায় দলগুলোর মতপার্থক্য এতটাই বিশাল, এগুলো দ্বিতীয় ধাপে মাসের পর মাস আলোচনা করলেও একমতে আসতে পারব না। তাই বাদই দিয়ে দিলাম।”
অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, “দ্বিতীয় ধাপে আলোচনায় যতটা স্বচ্ছতায় সম্ভব প্রচার করা হয়েছে, কে কী করছেন যেন দেখতে পায়। যতদূর সম্ভব ঐকমত্যে আসার চেষ্টা করছি। অনেক বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, যেটা প্রাথমিক ধাপে কারো কারো সংশয় ছিল- এতটা অগ্রসর হওয়া যাবে কি না। দলগুলো সহায়তা করেছে।
“এখন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছি। তারা কীভাবে বলে, আমরা হয়তো সেভাবে পরামর্শ দিতে পারব।”
তৃতীয় ধাপে আলোচনা কতদিন?
দল ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক কতদিন হতে পারে, জানতে চান এক সাংবাদিক।
জবাবে আলী রীয়াজ বলেন, “স্বল্পতম সময়ে আলোচনাটা এ পর্যায়ে করতে চাই। বিশেষজ্ঞদের সাথে দীর্ঘমেয়াদে আলোচনার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
“কারণ, তাদের মতামতের ভিত্তিতে এবং রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের অবস্থান জানে- সেগুলোর ভিত্তিতে এক জায়গায় আসা যায় কি না, আসার চেষ্টা করব আমরা। সেটা খুব দীর্ঘমেয়াদি হবে না।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ইফতেখারুজ্জামান, বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, মো. আইয়ুব মিয়া ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার।
আরও পড়ুন: