Published : 21 May 2026, 07:20 PM
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সি শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের বিষয়ে আশা প্রকাশ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি পল্লবীর ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিতে পুলিশপ্রধান এবং আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার তথ্যও দেন।
এক প্রশ্নের জবাবে কাজল বলেন, “পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্রুত বিচার প্রাপ্তি যেকোন নাগরিকের মৌলিক অধিকার। এরকম একটা নির্মম ঘটনার বিচার যত দ্রুত সম্ভব হবে, তত দেশের মানুষের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরে আসবে।”
আইনমন্ত্রীও এ বিষয়ে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছেন তুলে ধরে তিনি বলেন, “তারা (পুলিশ) দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেবেন। এ ধরনের ঘটনায় বিলম্ব ঘটে সাধারণত ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার ক্ষেত্রে। আসামিরা ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে এবং তারা স্বীকারোক্তিও দিয়েছে।”
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে সাত বছর বয়সি শিশু রামিসার মাথা বিচ্ছিন্ন ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া সোহেল রানাকে পরে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় ধর্ষণের পর হত্যার ‘স্বীকারোক্তি’ দিয়েছেন বলে পুলিশের ভাষ্য।
এ মামলায় সাক্ষী পাওয়া ‘সহজ’ হবে দাবি করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “ঘটনাস্থলতো একেবারে একটা ফ্ল্যাটের মধ্যে আর সাক্ষীরাও ওই এলাকারই। সুতরাং একটা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় যাওয়ার জন্য প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করা।
“আইজিপি সাহেব জানিয়েছেন, প্রয়োজনে তদন্ত কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গেও কথা বলবেন। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দ্রুত বিচার হলে আগামী দিনে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
এই মামলার ঘটনাপ্রবাহ, আসামির স্বীকারোক্তি, মেডিকেল ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দ্রুত চলে এলে বিচার বিলম্বিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও তিনি মনে করেন।