বর্ষবরণে আনন্দঘন আয়োজন ডিএসসিসির
“সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব; যেখানে আমরা সবাই সমান অধিকার নিয়ে বাস করব,” বলেন স্থানীয় সরকার সচিব।
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, পান্তা-ইলিশ উৎসব আর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-ডিএসসিসি।
সোমবার সকাল ৮টায় নগর ভবন থেকে বের হওয়া আনন্দ শোভাযাত্রা গোলাপ শাহ মাজার প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নগর ভবনে এসে শেষ হয়।
পরে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে বিভিন্ন মনোজ্ঞ পরিবেশনা উপস্থাপন করেন ডিএসসিসি পরিচালিত বিভিন্ন সঙ্গীত শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থী-প্রশিক্ষকরা।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, “আজকের এই আনন্দ র্যালিতে আমরা যেমন ধর্ম, বর্ণ, পদবি নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছি, ঠিক তেমনইভাবে সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব। যেখানে আমরা সবাই সমান অধিকার নিয়ে বাস করব।"
এ সময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
পরে অতিথিরা প্রদর্শনী দোকান ঘুরে দেখেন, যেগুলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলের ঐতিহ্যকে উপজীব্য করে নির্মিত। পরে তারা পান্তা উৎসবে অংশগ্রহণ করেন।
ডিএসসিসির প্রশাসক শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান, সচিব মোহাম্মদ বশিরুল হক ভূঁঞা।
