এবার পল্লবী থানায় হাতবোমা বিস্ফোরণ, এসআরবি সদস্য আহত
মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি পাশের ফ্লাইওভারের ওপর থেকে একটি বোমা নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়, বলেছে পুলিশ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর এবার পল্লবী থানা প্রাঙ্গণে একটি হাতবোমা বিস্ফোরণের তথ্য দিয়েছে পুলিশ।
এ বিস্ফোরণে এসআরবির এক সদস্য আহত হয়েছেন।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ বলেছে, মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি পাশের ফ্লাইওভারের ওপর থেকে থানা প্রাঙ্গণে একটি হাতবোমা নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়।
এতে বিস্ফোরিত হাতবোমার একটি অংশের আঘাতে থানার ফটকের ভেতরে অবস্থানরত এসআরবি-৪-এর এক সদস্য আহত হন।
পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন বলেন, “আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা থানা প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।”
সন্দেহ প্রকাশ করে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গতকাল পল্লবী মেট্রো স্টেশনের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় এসআরবি সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় এনেছে। সে জন্য আতঙ্ক ছড়াতে তারা এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।
তবে এসআরবি-৪ এর তরফে অগ্নিসংযোগকারী সন্দেহে কাউকে আটকের বিষয়টি স্বীকার করেনি।
এসআরবির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, থানায় এসআরবির হাতে আটক অন্য কোনো আসামি থাকতে পারে। তবে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় তাদের হাতে কেউ আটক নেই।
এদিন প্রায় একই সময়ে মালিবাগের বীর উত্তম শামসুল আলম সড়কে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি কার্যালয়ের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।
তার আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে, সিনেটভবনসহ আরও কয়েকটি স্থানে হাতবোমাগুলো ফাটানোর তথ্য দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন শাহবাগ থানার ওসি মনিরুজ্জামান।
আর সাড়ে ৬টার দিকে ভাটারায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জলসিঁড়ি ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে।
