Published : 26 Aug 2025, 11:58 PM
‘অসদাচরণের’ অভিযোগে ছুটিতে পাঠানো হাই কোর্টের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বিষয়ে আগামী ২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) চূড়ান্ত শুনানি করবে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল।
ছুটিতে পাঠানো হাই কোর্টের আরেক বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের বিষয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে মঙ্গলবার।
এদিন সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
‘অসদাচরণের’ অভিযোগ ওঠার পর গত বছরের ১৬ অক্টোবর ১২ বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এ বিচারকদের হাই কোর্টের বেঞ্চের বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয়।
এ তালিকার বাকি ১০ বিচারপতি হলেন— নাইমা হায়দার, শেখ হাসান আরিফ, আশীষ রঞ্জন দাস, এস এম মনিরুজ্জামান, আতাউর রহমান খান, শাহেদ নূর উদ্দিন, মো. আমিনুল ইসলাম, এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, খিজির হায়াত ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বার্তায় বলা হয়, “এই ১২ জনের মধ্যে ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি একজন বিচারপতি পদত্যাগ করেছেন। দুজন বিচারপতি হাই কোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাননি; আরও দুইজন বিচারপতি ইতোমধ্যে অবসর গ্রহণ করেছেন।”
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আরও চার বিচারকের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান কার্যক্রম এবং তিনজন বিচারপতির বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।
তবে সেখানে এসব বিচারকের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
পরে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল।
বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনরুজ্জীবিত হওয়ার পর নতুন করে গঠন করা হয় এ কাউন্সিল। এরপর বিচারপতিদের বিষয়ে বৈঠক করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল।
কাউন্সিলের অপর দুই সদস্য হলেন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ দুই বিচারপতি- মো. আশফাকুল ইসলাম ও জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের অক্টোবরে ২৩ জন এবং সবশেষ সোমবার ২৫ জন অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়। সবশেষ নিয়োগ পায়া ২৫ জন ছাড়া ৮৮ জন বিচারকের নাম সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটে রয়েছে।
আরও পড়ুন
বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিনের পদত্যাগ
'ছুটিতে' পাঠানো ১২ বিচারক: অবসরে ২ জন, নিয়োগ স্থায়ী হয়নি ২ জনের