Published : 26 Nov 2024, 06:15 PM
ঢাকার মিরপুরে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে লাগা আগুনে দুই পরিবারের সাতজন দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় খলিল নামের একজন মারা গেছেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার খলিল মারা যান। তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে ভর্তি ছিলেন।”
খলিলের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
এছাড়া ওই ঘটনায় দগ্ধ শাহজাহান নামের একজনকে ছুটি দেওয়া হয়েছে বলে জানান চিকিৎসক শাওন।
শাহজাহানের শরীরের ৬ শতাংশ পুড়েছিল।
ডা. শাওন বলেন, বাকীদের মধ্যে খলিলের দুই সন্তান আবদুল্লাহ এবং মোহাম্মদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
“আবদুল্লাহর ৩৮ শতাংশ এবং মোহাম্মদের শরীরের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থাও ভালো না। ভর্তি যারা আছে তাদের সবার অবস্থাই ক্রিটিক্যাল, তবে এই দুজনের অবস্থা বেশি খারাপ।”
রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মিরপুরের ১১ নম্বর সেকশনের সি-ব্লকের এক বাসায় আগুনের ওই ঘটনায় তিন শিশুসহ ৭ জন দগ্ধ হয়।
মিরপুরে গ্যাসের আগুনে দগ্ধ দুই পরিবারের ৭ জন
গুরুতর অবস্থায় তাদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
দগ্ধদের মধ্যে খলিলের স্ত্রী রুমার (৩২) শরীরের ২০ শতাংশ পুড়েছে। তাদের আরেক সন্তান ইসমাইলের শরীরের ২০ শতাংশ পুড়েছে।
দগ্ধ অন্য পরিবারের দুজন হলেন শাহজাহান (৩৫) এবং তার স্ত্রী স্বপ্না (২৫)। স্বপ্নার শরীরের ১৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
স্বজনদের বরাতে সেদিন চিকৎসক শাওন বলেছিলেন, সম্ভবত রান্নাঘরের গ্যাসের লাইনে লিকেজ ছিল। ভোরে চুলা জ্বালাতে গেলে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণ ঘটে। তাতেই তারা দগ্ধ হন।