Published : 03 Jun 2025, 10:39 PM
নাগরিকের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার কথা বলেছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত তথ্য সংগ্রহ, আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে মানুষ আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
“ব্যক্তি তথ্যের সুরক্ষায় প্রতিবেশী দেশসহ অন্যান্য দেশের আইন বা সমকক্ষ নথিপত্র বিবেচনায় নিয়ে ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।”
বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে সমাদৃত হয়, এমন একটি আইনের রূপকল্প নিয়ে খসড়াটি করার কথাও বলছে মন্ত্রণালয়।
সম্পদের পাশাপাশি নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য-উপাত্তের সুরক্ষা দেওয়াও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বর্তমানে ব্যক্তিগত তথ্য বিশ্বব্যাপী বিভিন্নভাবে ‘অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ এবং নাগরিকদের জীবনে ‘স্বাচ্ছন্দ্য আনার ক্ষেত্রে’ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই ব্যক্তি তথ্যের ব্যবহার শুরু হলেও তার গোপনীয়তা, সুরক্ষা ও আইনানুগ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ কিংবা স্থানান্তরে কোনো আইন হয়নি। এতে জনসাধারণের তথ্য সরকারি-বেসরকারি বা অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ইচ্ছেমতো সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করে আসছে।
মন্ত্রণালয় বলছে, অন্তর্বর্তী সরকার এ সংক্রান্ত ‘উত্তম চর্চার’ প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি ব্যবসাবান্ধব আইন করতে চায়।
“সরকার দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যবসায়িক সংগঠন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তথ্যের সর্বোচ্চ ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠন, সংবাদমাধ্যম এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মতামত নিতে অধ্যাদেশের খসড়া একাধিকবার অনলাইনে প্রকাশ করেছে। একইভাবে অংশীদারদের উপস্থিতিতে একাধিক সভা করে মতামত নেওয়া হয়েছে।”