Published : 02 Jan 2026, 04:49 PM
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর প্রতিবাদে বিটিআরসি ভবনে ভাংচুরের মামলায় ৪৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন-দেলোয়ার হোসেন, সৈয়দ আহমেদ শুভ, শাহজাহান, অপূর্ব ইসলাম, শরিফুল ইসলাম নিলয়, জাহিদ হাসান হৃদয়, শাহেদ ভূঁইয়া, বুলবুল আহমেদ, দীপক হাজরা, মান্না হোসেন, ইয়াছিন আরাফাত অর্ণব, আশরাফ উদ্দিন, শাহ জালাল, শাহিন, নাঈম, সাইদুর রহমান, ইমতিয়াজ আহমেদ হৃদয়, রমজান, সাব্বির হোসেন, শাহিন, তরিকুল ইসলাম রিফাত, মঈন হোসেন রাজন, অনিক হোসেন, তরিকুল ইসলাম, রিফাত হোসেন, হানিফ মিয়া, শাহাদাৎ হোসেন রাব্বি, সোহানুল হক, তারেক আজিজ, সাজ্জাদ ইসলাম, শিপন, এজাজ হোসেন সিয়াম, উনায়েস ইমরান, মনিব আক্তার, হারিজ, সাব্বির হোসেন বিজয়, এস এম মতিউর রহমান, রাজন শেখ, আবু সাদিক রাকিব, মামুন ব্যাপারী, মজিবুর রহমান, সালাউদ্দিন ব্যাপারী, আমিনুল ইসলাম নাইম, রাকিবুল হাসান রাকিব ও আব্দুল্লাহ সবুজ।
এনইআইআর চালুর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ভবনে সামনে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ক্ষুব্ধ হয়ে বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।
এ ঘটনায় বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্স বিভাগের সহকারি পরিচালক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ শেরেবাংলা নগর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই শামসুজ্জোহা সরকার শুক্রবার আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, এনইআইআর চালু হওয়ায় বিবাদীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হয়ে আন্দোলন করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রের শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট বিটিআরসি ভবনে হামলা চালায়। তারা বিআরটিসি ভবনের সামনে থাকা ৫১ আসনের বিটিআরসির একটি বাসে আগুন দেয়।
আদালতে আসামিদের পক্ষে সাগর তরফদারসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত থেকে জামিন আবেদন নাকচের আদেশ আসে।