Published : 21 Jul 2026, 08:41 AM
বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি ও মামলার জট কমাতে দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টেও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) বা আদালতের বাইরে আপস-মীমাংসার ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের প্রধান কর্মকর্তা ইমতেয়াজুল ইসলাম।
তিনি মনে করেন, নতুন এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পারিবারিক ও দেওয়ানি প্রকৃতির ছোটখাটো এবং কম গুরুতর বিরোধ দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই এক বা দুই দফা বৈঠকের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।
তাতে কী সত্যি মামলার জট কমবে? এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে? এসব প্রশ্নও সামনে এসেছে।
বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে এডিআর পদ্ধতি বাধ্যতামূলকভাবে চালু থাকলেও সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসে এতদিন এমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না।
বিচার বিভাগ দীর্ঘদিন ধরেই মামলা জটের কথা বলে আসছে। বিভিন্ন সরকারের সময়ও মামলা জটের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

রোববার বিকালে মাগুরা জেলা আইনজীবী সমিতি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, “দেশে ৪৫ লাখের বেশি মামলা অমীমাংসিত রয়েছে। এসব মামলার সুষ্ঠু সমাধান করতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিচার বিভাগ নিয়ে কাজ করছে।”
সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসে এডিআর ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়ে এই অফিসের প্রধান অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মর্যাদার কর্মকর্তা ইমতেয়াজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতা বা দুই পক্ষকে বসিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কোনো ব্যবস্থা নেই। অথচ দেশের অন্য ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে এটি রয়েছে।
“আমি নিজে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পারিবারিক, বাটোয়ারা, দেওয়ানি ও ফৌজদারিসহ বহু মামলা কম সময়ে মধ্যস্থতা করেছি। এখানে যোগ দেওয়ার পর আইন পর্যালোচনা করে দেখেছি, সুপ্রিম কোর্টে এডিআর চালুর ক্ষেত্রে আইনি কোনো বাধা নেই। চাইলে এটি চালু করা সম্ভব।”
উদ্যোগটি প্রধান বিচারপতির নজরে আনার পর ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমি মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে সুপ্রিম কোর্টের সার্বিক পরিস্থিতি জানালে তিনি বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেন এবং এডিআর চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ফাইল ও নথিপত্র প্রস্তুতের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী ফাইল প্রস্তুত করে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
সুপ্রিম কোর্টে মামলার দীর্ঘসূত্রতা ও বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগের একটি উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “কক্সবাজার থেকে আসা এক নারীর দুই লাখ টাকার দেনমোহরের মামলা যদি হাই কোর্টে ওঠে, তাহলে সেটি নিষ্পত্তি হতে অন্তত পাঁচ বছর লেগে যেতে পারে।
“এই পাঁচ বছর ধরে দুই লাখ টাকার জন্য যদি তাকে বারবার কক্সবাজার থেকে ঢাকায় আসতে হয়, তাহলে যাতায়াত খরচই মামলার টাকার চেয়ে বেশি হয়ে যাবে। অথচ এ ধরনের মামলায় আমি নিজে ২০ মিনিটের একটি বৈঠক করলেই অনেক ক্ষেত্রে আপস সম্ভব।”
প্রাথমিকভাবে কোন ধরনের মামলা এডিআরের আওতায় আনা হবে? জবাবে ইমতেয়াজুল ইসলাম বলেন, “পারিবারিক আদালত আইনের অধীন চার ধরনের বিরোধ—দেনমোহর, ভরণপোষণ, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের জিম্মা—এডিআরের আওতায় আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।”
এ ছাড়া যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় যৌতুক দাবি, পিতামাতার ভরণপোষণ আইনের ৫ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(গ) ধারার আওতাভুক্ত যৌতুকের জন্য সাধারণ আঘাতের অভিযোগও এতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, বলেন তিনি।
তবে প্রধান বিচারপতি মামলার পরিধি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে প্রস্তাবটি ফেরত পাঠিয়েছেন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড শাখার এই কর্মকর্তা বলেন, “প্রধান বিচারপতি ফাইল দেখে বলেছেন, মামলার সংখ্যা বা ক্ষেত্র মাত্র চারটিতে সীমাবদ্ধ থাকায় এটি কিছুটা কম হয়ে গেছে। এর সঙ্গে আরও কিছু আইন যুক্ত করা যায় কি না, তা দেখতে বলেছেন।
“তার (প্রধান বিচারপতি) পরামর্শ অনুযায়ী এখন আমি দণ্ডবিধির (পেনাল কোড) কিছু আপসযোগ্য ধারা এবং দেওয়ানি প্রকৃতির কিছু ঘোষণামূলক (ডিক্লেয়ারেশন) ও বাটোয়ারা (বণ্টন) মামলাও এর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি।”
এডিআর ব্যবস্থায় তৃতীয় পক্ষের অনুপস্থিতিই বিরোধ নিষ্পত্তিতে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে মন্তব্য করে ইমতেয়াজুল ইসলাম বলেন, “এই প্রক্রিয়ার বড় সুবিধা হল, এখানে কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ থাকে না। তৃতীয় পক্ষ থাকলে অনেক সময় বিরোধ মীমাংসা কঠিন হয়ে পড়ে, কারণ বিরোধ চলতে থাকলে সেখানে তাদেরও এক ধরনের স্বার্থ তৈরি হয়।
“এখানে মক্কেলরা সরাসরি আসেন এবং নিজেদের সমস্যার কথা বলেন। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে বিবাদীর মোবাইলে নোটিস পাঠানোর পাশাপাশি হার্ড কপিও পাঠানো হয়। এরপর বিবাদী সরাসরি উপস্থিত হন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে অনেক ক্ষেত্রেই সহজেই আপসে পৌঁছানো সম্ভব হয়।”
তবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক এখতিয়ারে লিগ্যাল এইড শাখার কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না জানিয়ে ইমতেয়াজুল ইসলাম বলেন, “হাই কোর্টে মূলত হত্যা, ধর্ষণ কিংবা যাবজ্জীবন দণ্ডের মতো গুরুতর ও আপস-অযোগ্য মামলার শুনানি হয়, যা এডিআরের আওতাভুক্ত নয়।

“ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ ধারার অধীনে আদালত চাইলে আপসের জন্য তৃতীয় পক্ষকে দায়িত্ব দিতে পারেন। আমি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বসে আপস হলে বা না হলে সে-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে পাঠিয়ে দেব। পরে মাননীয় বিচারপতিরা সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বা প্রয়োজনীয় পরবর্তী আদেশ দেবেন। এক্ষেত্রে মামলার বিষয়ে পূর্ণ ক্ষমতা বিচারপতিদের হাতেই থাকবে।”
এডিআর চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী ইশরাত হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং ইতিবাচক। আমাদের দেশে বর্তমানে প্রায় ৪৭ লাখ মামলা বিচারাধীন। কেবল প্রথাগত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই মামলার জট নিরসন করা সম্ভব নয়।
“আমরা প্রায়ই দেখি, এক কাঠা জমি নিয়ে বিরোধ কিংবা স্বামী-স্ত্রীর ছোটখাটো পারিবারিক বিরোধও হাই কোর্ট পর্যন্ত চলে আসে। এতে বছরের পর বছর ধরে দুই পক্ষের শুধু আর্থিক ক্ষতিই হয় না, সামাজিক সম্পর্ক ও মান-সম্মানের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।”
এডিআরের সুফল তুলে ধরে তিনি বলেন, “আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানো গেলে উভয় পক্ষই কিছুটা ছাড় দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসতে পারে। এতে আদালতে গিয়ে কেউ জিতল, কেউ হারল—এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ তৈরি হয় না, বরং দুই পক্ষের জন্যই গ্রহণযোগ্য সমাধানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।”
লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবীদের নামমাত্র সম্মানীর প্রসঙ্গ তুলে ধরে ইশরাত হাসান বলেন, “বাস্তবতা হল, আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড প্যানেলে আর্থিক লাভের জন্য যুক্ত হন না। একটি মামলা কয়েক বছর ধরে পরিচালনার পর একজন আইনজীবী মাত্র ছয় হাজার টাকা সম্মানী পান।
“এই নামমাত্র সম্মানীর জন্য কেউ দীর্ঘমেয়াদে মামলা পরিচালনা করেন না। অনেক সময় নিজের পকেট থেকেই খরচ করতে হয়। মূলত সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনসেবার মানসিকতা থেকেই আইনজীবীরা এই সেবা দিয়ে থাকেন।”
আইনি সহায়তায় আইনজীবীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, “আমি মনে করি, বার কাউন্সিল যদি প্রত্যেক আইনজীবীর জন্য মোট পেশাগত কাজের অন্তত ১০ থেকে ২০ শতাংশ ‘প্রো বোনো’ (বিনামূল্যে) আইনি সেবা দেওয়া বাধ্যতামূলক করে, তাহলে এটি আইনজীবীদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ হয়ে উঠবে।
“এতে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও উৎসাহ দুটোই বাড়বে।”
তবে নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নে জনবল ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড শাখার প্রধান কর্মকর্তা ইমতেয়াজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “সারা দেশ থেকে বিচারপ্রার্থীরা এখানে এলেও অফিসার হিসেবে আমি একাই দায়িত্ব পালন করছি। আমার সঙ্গে মাত্র পাঁচজন কর্মী রয়েছেন।
“আমাদের জন্য উপযুক্ত অবকাঠামোও নেই। ভালো ওয়াশরুম পর্যন্ত নেই, বিদ্যমানটি ব্যবহার-অনুপযোগী। আমি যোগ দেওয়ার সময় অফিসে কোনো কম্পিউটারও ছিল না। পরে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে অনুরোধ করে একটি কম্পিউটার আনা হয়েছে। রেকর্ড রুম ভবন নির্মাণ শেষ হলে সেখানে আমাদের অফিসের জন্য জায়গা হবে বলে আশা করছি।”
একই ধরনের সংকটের কথা তুলে ধরে ইশরাত হাসান বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী সেবাগ্রহীতারা প্রথমে লিগ্যাল এইড অফিসে যোগাযোগ করবেন, এরপর লিগ্যাল এইড আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করবে। কিন্তু জনবল কম থাকায় অনেক সময় মানুষ সরাসরি আমাদের কাছেই চলে আসেন। তখন বাধ্য হয়েই আমাদের তাদের সহায়তা করতে হয়।
“মামলার কার্যকর তদারকির জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা প্রয়োজন। একজন কর্মকর্তার পক্ষে সারাদেশের মামলা তদারকি করা সম্ভব নয়। একইভাবে এখানে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনকারী আরও কয়েকজন আইনজীবীও প্রয়োজন। বর্তমানে প্রয়োজনীয় অনেক কাজই আমাদের নিজেদের চেম্বারের কর্মীদের দিয়ে করাতে হয়।”
এডিআর কার্যক্রম চালু হলে জনবল ও অবকাঠামো আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হবে বলেও মনে করেন তিনি।
ইশরাত হাসান বলেন, ২০০৫ সালে লিগ্যাল এইড অধ্যাদেশে প্রধান লিগ্যাল এইড কর্মকর্তাসহ প্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টির কথা বলা হয়েছিল। পাশাপাশি কিছু মামলা আদালতে যাওয়ার আগে লিগ্যাল এইডে পাঠানোর বিধানও রাখা হয়েছিল।

“বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে সারাদেশের মামলার চাপ বাড়ছে। তাই সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড শাখায় পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা এখন অত্যন্ত জরুরি।”
সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডে এডিআর চালুর উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও, বিদ্যমান পদ্ধতিতে এর শতভাগ সাফল্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে একশজনের মত যে তালিকাভুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, এক্ষেত্রে তারা শুধু একটা আবেদন করেন সেটা লিগ্যাল অফিস যাচাই করে নিয়োগ দেন। এক্ষেত্রে এমন সব আইনজীবীদের সম্পৃক্ত করা হয়, যারা অপেক্ষাকৃতভাবে কম জ্ঞানসম্পন্ন এবং প্রতিষ্ঠিতভাবে যাদের প্র্যাকটিস’ কম।
“যারা জেলা জজকে দলের ‘ফ্রেমওয়ার্কে’ থেকে তোষামোদ করেন, সাধারণত তাদেরকেই এই জায়গায় সম্পৃক্ত করা হয়। এর ফলে যে লোকটা আইন কম জানে এবং তোষামোদকারী, তিনি আইনি যুদ্ধে ভালো ‘ফিডব্যাক’ দিতে পারেন না। এর ফল অবশম্ভাবী নেতিবাচক হতে বাধ্য।”
সুপ্রিম কোর্টে কোনো উন্মুক্ত পরীক্ষা ছাড়াই ‘চুজ অ্যান্ড পিক’ পদ্ধতিতে লিগ্যাল এইডের আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে এডিআরকে কার্যকর করতে নিজের প্রস্তাব তুলে ধরেন দুলু।
তিনি বলেন, “কর্তৃপক্ষের প্রতি আমার পরামর্শ হল, লিগ্যাল এইড আইনজীবী হিসেবে যাদের নিয়োগ দেওয়া হবে, তাদের একটি প্রতিযোগিতামূলক এবং উন্মুক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
“সাথে তাদের সম্মানী একটু আকর্ষণীয় পরিমাণে দেওয়া উচিত, এর ফলে ভালো মানের আইনজীবী যাবে। আর ভালো আইনজীবী গেলেই কার্যক্রমটা ফলপ্রসূ হবে।”