আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের অধ্যাদেশ জারি
এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ১৯৭৩ সালের আইনটি সংশোধন করে খসড়া অনুমোদন এবং অধ্যাদেশ জারির সিদ্ধান্ত হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
রোববার এ অধ্যাদেশের গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, সংসদ না থাকায় এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরিস্থিতি বিরাজ করার বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে ‘সন্তাষজনকভাবে প্রতীয়মান’ হওয়ায় এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
এর আগে গত ২০ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা কক্ষে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করে খসড়া অনুমোদন এবং অধ্যাদেশ জারির সিদ্ধান্ত হয়।
বিদেশে বসে কেউ মানবতাবিরোধী অপরাধ করলেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তা আমলে নেওয়ার সুযোগ রেখে অধ্যাদেশ জারির এ উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
ওই দিন সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, “ট্রাইব্যুনাল চাইলে শুনানির অডিও ও ভিডিও রেকর্ড রাখতে পারবে। তবে গণমাধ্যমের জন্য সম্প্রচারের কোনো ব্যবস্থা থাকবে না।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের বাইরে অপরাধ করলে ট্রাইব্যুনালে আমলে নেওয়া যাবে। এতদিন শুধু বাংলাদেশের ভেতরে সংঘটিত অপরাধকে আমলে নিতে পারত ট্রাইব্যুনাল।”
তবে সেদিন আইন সংশোধনের খসড়ায় রাজনৈতিক দল ও তার সহযোগী সংগঠনের শাস্তির বিধান রাখা হয়নি।
আগে খসড়ায় অপরাধ প্রমাণ হলে দল ও সংগঠনের ১০ বছর নিষিদ্ধের প্রস্তাব করা হয়। উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এটি বাদ রেখে সংশোধনী অনুমোদন করা হয়।
উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতি সই করলে রোববার এটি অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়।
‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ শীর্ষক এ অধ্যাদেশে আইনটির ধারা ১, ২, ৩, ৪, ৬, ৮, ৯, ১১, ১১ (এ), ১৪ ও ১৯ সংশোধন; ধারা ১২ ও ১৭ প্রতিস্থাপন এবং ধারা ২০(এ), ২১(এ), ২৩(এ) ও ২৩(বি) সন্নিবেশ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
