Published : 27 May 2026, 07:10 PM
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের ১০০ দিন পূর্তির দিনে একটি ই-ডায়েরি প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস অফিস।
বুধবার প্রকাশিত ৩১ পৃষ্টার এই ই-ডায়েরিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।
ডায়েরিতে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিন জাতির সামনে ‘আশাবাদ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এসেছে’।
এ সময়ের মধ্যে সরকার দুই শতাধিক উদ্যোগ ও প্রকল্প গ্রহণ করেছে, যেগুলো বাস্তবায়নের ফলে জনজীবন ও সমাজে দৃশ্যমান প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।
সরকারের কর্মকাণ্ডের অগ্রযাত্রার ধারাবাহিক চিত্র তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস এই ডায়েরি প্রকাশ করেছে, যা সময়ের সঙ্গে নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে তার সরকারের ১০০ দিনের কার্যক্রম, সিদ্ধান্ত এবং তার বাস্তবায়ন সব কিছুই এই ই-বুকে বিশদভাবে প্রকাশ পেয়েছে। বলতে পারেন, এটি সরকারের ১০০ দিনের কর্মকাণ্ডের দলিল।

“আমরা মনে করি, তারেক রহমান সরকারের ১০০ দিন জাতির সামনে আশাবাদ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এনেছে। সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি ও উদ্যোগ ইতোমধ্যে জনজীবন ও সমাজে দৃশ্যমান প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।”
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা পায় বিএনপি। ১৭ ফেব্রুয়ারি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। সেই দিন থেকে বুধবার পর্যন্ত এই সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হল।
প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফেরা বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দলের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের চিত্র দেওয়া হয়েছে।
https://heyzine.com/flip-book/d53270df69.htm এই লিংক ব্যবহার করে ই-ডায়েরিটি পড়া ও ডাউন লোড করা যাবে এবং ই-ডায়েরি সস্পর্কে যেকোনো মতামত, পরামর্শ এবং গঠনমূলক মন্তব্য সাদরে গ্রহণ করা হবে, বলেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
ডায়েরির সূচনাতে তারেক রহমানের গত ২৯ জানুয়ারির একটি বক্তব্য যুক্ত করা হয়েছে। সেটা হচ্ছে, “১২ তারিখ ধানের শীষ বিজয়ী হলে ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখ থেকে শুরু হবে জনগণের দিন।”
ই-ডায়েরির ভূমিকাতে বলা হয়েছে, “১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তার সরকার বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট, বিনিয়োগের স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের ঘাটতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার মতো একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।
“প্রথম ১০০ দিনে নীতিনির্ধারণে দ্রুততা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত, প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধারের ইতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।”
“যেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার হবে, আমরা সেসব পরিকল্পনাই গ্রহণ করবো,”- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বক্তব্য তুলে ধরে তার সরকারের এ সময়ে যেসব কাজ শুরু করা হয়েছে এর একটি পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ কাজের চিত্র
• ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে ৫৩ হাজার ৯৬টি পরিবার।
• এ পর্যন্ত কৃষক কার্ড পেয়েছে ২০ হাজার ৭৪৮টি পরিবার।
• ১০০ দিনে ২ কোটিরও বেশি শিশুকে, অর্থাৎ শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।
• এরই মধ্যে ৬৬৬টি খালে খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
• ইতোমধ্যে প্রায় ৬ হাজার ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধানরা মাসিক ভাতা পাচ্ছেন।
• ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
• পদ্মা ব্যারাজের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, এতে সরাসরি উপকৃত হবে দেশের ৩৭ শতাংশ মানুষ।
• (পশ্চিম এশিয়ায়) যুদ্ধাবস্থায় ভর্তুকির মাধ্যমে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
• ২০ মে পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।
• মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭১ শতাংশে নেমে এসেছে।
• ২৪ মে পর্যন্ত ১০টি কেবিনেট সভায় ৬০টি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, যার ৩৭টি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ২৩টি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
• ১২-১৪ বছর বয়সী ক্রীড়াশিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চলমান রয়েছে।
• ৫৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্লাবে ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
• ভূমিসেবা অটোমেশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে
• ১৪টি বোয়িং যুক্ত করে বিমান বহর সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
• ১৫২ জন জুলাই যোদ্ধাকে রাশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
• ৫৫ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে মাসিক ৩০ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে।
• সব শিল্পকারখানায় ঈদের আগে বেতন, বোনাস ও সুবিধা পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে।
• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে রাজস্ব আদায়ে ১৩.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
• প্রবীণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের মেট্রোরেল ও ট্রেন ভ্রমণে ভাড়ার ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে।
• ১৫,৪৪৪ জন পেশাদার ও ২২,৯১৮ জন অপেশাদার কসাইকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পশুর চামড়া ছাড়ানোর বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
• অত্যাধুনিক ‘গ্রাউন্ড মাস্টার-৪০০’ রাডার এখন ঢাকা থেকে ৬৫০ কিলোমিটার এবং বঙ্গোপসাগরে ৮৩৩ কিলোমিটার পর্যন্ত আকাশসীমা নজরদারিতে রাখছে।
• বাংলাদেশের পাসপোর্টে আবারও যুক্ত করা হচ্ছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ (Except Israel) শব্দবন্ধ, যা ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
• দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা পৌঁছে দিতে বহুল আলোচিত এস আলম গ্রুপের ৪ হাজার ২৬৪ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ সফলভাবে জব্দ করা হয়েছে।
• বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে ১০টি দেশের মধ্যে তিনটি দেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং বাকি দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
• এখন ভুক্তভোগীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান না; বরং প্রধানমন্ত্রীই তাদের দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছেন।

নতুন রাজনৈতিক ও পারিবারিক সংস্কৃতির বার্তা
ই-ডায়েরিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সমকালীন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নেতৃত্বের আচরণ, ব্যক্তিগত জীবনধারা ও জনসম্পৃক্ততা ক্রমেই জনআলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
“এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আচরণকে পর্যবেক্ষকরা একটি ভিন্নধারার নেতৃত্বচর্চা হিসেবে বিবেচনা করছেন, যেখানে ভদ্রতা, সংযম, সৌজন্য, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।”
নতুন রাজনৈতিক ও পারিবারিক সংস্কৃতির যে বার্তা ডায়েরিতে তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে-
• তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জীবনযাপন ও জনপরিসরে আচরণকে অনেকে সরল জীবনধারা এবং পারিবারিক মূল্যবোধের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। এসব দৃষ্টান্ত তার রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিরই অংশ, যা প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির তুলনায় একটি ভিন্নধারার নেতৃত্বের ইঙ্গিত বহন করে।
• সরকারি বাসভবনের পরিবর্তে ব্যক্তিগত বাসভবন ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং এটিকে অনেকে সরল ও সংযত প্রশাসনিক সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে দেখছেন।
• ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার এবং নিজ খরচে জ্বালানি ব্যয়ের উদ্যোগ একটি ব্যতিক্রমী প্রশাসনিক অনুশীলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দায়িত্বশীলতা ও ব্যক্তিগত সংযমের বার্তা বহন করছে বলে অনেকে মনে করছেন।
• ভিভিআইপি প্রটোকল সীমিত করার পদক্ষেপকে অনেকে ক্ষমতার সরলীকরণ, জবাবদিহি এবং জনগণের আরও কাছাকাছি থাকার প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।
• দেশের বিভিন্ন অঞ্চল সফরকালে তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও আগ্রহ বিশেষভাবে লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে। রাস্তার দুইপাশে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, এমনকি বাড়ির উঠানেও মানুষ তাকে একনজর দেখার জন্য অপেক্ষা করছে। শিশু-কিশোর, তরুণ-প্রবীণ, মা-বোনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের এই অংশগ্রহণকে অনেকে জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
• কিছুদিন আগে নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে। সেখানে শিক্ষার্থীরা আগামীর বাংলাদেশ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে নিজেদের ভাবনা ও প্রত্যাশা সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পান। নেতৃত্ব ও তরুণ সমাজের মধ্যে এমন অংশগ্রহণমূলক যোগাযোগকে ইতিবাচক গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
• সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তিনি বিভিন্ন সময়ে প্রচলিত প্রটোকলের গণ্ডি ভেঙে শিশুদের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাদের আবদার পূরণ করেছেন এবং তাদের কাছ থেকে ভালোবাসার উপহার গ্রহণ করেছেন। এসব ঘটনাকে অনেকে মানবিক নেতৃত্বের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।
• কৃষক, শ্রমিক ও মজুরদের সঙ্গে একজন সাধারণ মানুষের মতো মিশে যাওয়ার ঘটনাগুলোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনপরিসরে আলোচিত হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব আচরণ তাকে একটি জনমুখী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করছে।
• রাস্তায় সিগন্যালে অপেক্ষা করা, হেঁটে অফিসে যাওয়া কিংবা অফিস শেষে সাধারণ মানুষের মাঝে গিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ঘটনাগুলোকে অনেকে অংশগ্রহণভিত্তিক ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
• সাপ্তাহিক কার্যদিবসের অংশ হিসেবে শনিবার অফিস কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা, কর্মগতিশীলতা এবং সেবার গতি বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
• তরুণ উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার ও চালনার মাধ্যমে তিনি স্থানীয় উদ্ভাবনী সক্ষমতার প্রতি সমর্থনের বার্তা দিয়েছেন। উদ্ভাবনী উদ্যোগে তরুণদের সম্পৃক্ত করার বিষয়টিকে অনেকে ভবিষ্যৎমুখী নেতৃত্বের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।
• সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির সামগ্রিক প্রচেষ্টাকে প্রশাসনিক যোগাযোগ ও জনআস্থা আরও শক্তিশালী করার একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
• পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত আচরণ বা প্রতীকী পদক্ষেপ নয়; বরং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সরলতা, মানবিকতা, জবাবদিহি, জনসম্পৃক্ততা এবং অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের একটি নতুন ধারা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।

ডায়েরিতে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক উদ্যোগ, সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে শিক্ষা, বাণিজ্য, পানিসম্পদ, স্বরাষ্ট্র, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, অর্থ, পররাষ্ট্র, শ্রম ও কর্মসংস্থা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের চিত্র স্থান পেয়েছে।
ই-ডায়েরির একেবারে শেষে সারসংক্ষেপ বলা হয়েছে, নির্বাচনের পর তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ১০০ দিন ছিল মূলত দিকনির্ধারণ, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং জনআস্থা পুনর্গঠনের সময়।
অর্থনৈতিক চাপ, বৈশ্বিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার মধ্যেও সরকার দ্রুত কিছু নীতিগত ও জনমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এ সময়ে সরকারের কার্যক্রমে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা, প্রশাসনিক ও বিচারব্যবস্থায় ডিজিটাল ও কাঠামোগত সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত পরিকল্পনা।
‘জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই এ সরকারের পবিত্র দায়িত্ব’, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই বক্তব্য সন্নিবেশিত করে ডায়েরির উপসংহার টানা হয়।