Published : 21 Jul 2026, 01:54 AM
এক বছর ধরে বাসায় শূন্য পড়ে আছে মাহতাবের পড়ার টেবিল; মা এখনো শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি; ছেলের কাপড় বুকে জড়িয়ে আজও অশ্রু ঝরান তিনি।
বার্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানভীর। ছেলের মুখের হাসি আজও অমলিন মায়ের কাছে।
এক বছর আগের সেই ভয়াল স্মৃতি তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে মাহতাব ও তানভীরের স্বজনদের মতো শত পরিবারকে।
গত ২১ জুলাই দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে গিয়ে বিধ্বস্ত হয় বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান। একে মৃত্যু হয় ৩৬ জনের; আহত হয় দেড় শতাধিক। হতাহতদের বেশির ভাগই শিশু।
মঙ্গলবার এক বছর পূর্ণ হবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এ বিমান দুর্ঘটনার। সেদিনের ট্র্যাজেডিতে সন্তান হারানো পরিবারগুলো এই এক বছরে শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
শোকের সঙ্গে ক্ষোভও আছে তাদের। বিশেষ করে দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন এখনও আলোর মুখ না দেখায় হতাশা প্রকাশ করেছেন তারা।

‘বড় ছেলের হাসি এখনও ভাসে’
তানভীর আহমেদের বাবা মো. রুবেল মিয়া বলেন, "সকালবেলা যে সন্তানকে নিজের হাতে স্কুলে দিয়ে এসেছিলাম, দুপুরে তাকে ফিরে পেয়েছি লাশ হিসেবে।
“দুই ছেলেকে প্রতিদিন সকালে স্কুলে নিয়ে আসতাম, এখন ছোট ছেলেকে নিয়ে আসি৷ স্কুলে যখন আসি, শত শত ছাত্রছাত্রীর মাঝে আমি আমার তানভীরকে খুঁজে বেড়াই। কিন্তু কোথাও পাই না। শুধু ওর শেষদিনের হাসিমুখ আর স্মৃতিগুলো বুকে ধাক্কা দেয়।"
দুর্ঘটনার দিনের কথা মনে করে রুবেল মিয়া বলেন, "ছোট ছেলেকে ক্লাস শেষে নিয়ে যাওয়ার সময় তানভীর গেইট দাঁড়িয়ে ছিল, টিফিন করার জন্য টাকা দিলাম। মুচকি হাসি দিল। এরপর ছোট ছেলেকে নিয়ে ব্যাংকে গেলাম, তখনই খবর পাই মাইলস্টোন কলেজে বিমান পড়েছে। ব্যাংকের কাজ ফেলে পাগলের মতো ছুটে এসে দেখি বড় ছেলে যেখানে ক্লাস করত, সেখানেই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। স্কুলে তানভীরকে না পেয়ে খোঁজাখুজি শুরু করি। এক পর্যায়ে খবর পেলাম বার্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তানভীর মারা গেছে।
"আজকে একটা বছর পার হয়ে গেছে, বড় ছেলের সেই হাসি আমার চোখে এখনও ভাসে।"
ছোট ছেলের হাত ধরে স্কুলের মাঠে দাঁড়িয়ে কথাগুলো যখন রুবেল মিয়া বলছিলেন, তখন তার চোখ দিয়ে পানি ঝরছিল।

সেদিনে দুর্ঘটনায় নিহত হন সপ্তম শ্রেণির ইংলিশ ভার্সনের আরেক শিক্ষার্থী মাহতাব রহমান।
ছেলেটি রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে ঢাকায় এসেছিল আরও ভালো লেখাপড়ার আশায়।
তার পড়ার টেবিলটি পড়ে আছে এক বছর ধরে। সেই টেবিল দেখিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মাহতাবের বাবা মিনহাজ রহমান।
"ছেলেটার পড়ার টেবিলটা এক বছর ধরে একইভাবে পড়ে আছে। বই সরেনি, খাতা সরেনি। প্রতিদিন মা এসে বইগুলো মুছে দেন, গুছিয়ে রাখেন। মাহতাবকে ছাড়া আমরা কেউ ভালো নেই। আমাদের বাসাটা আগে প্রাণবন্ত ছিল, হাসি-খুশি ছিল। এখন এই বাসা কবরস্থানের মত। মাহতাবের মা এখনো স্বাভাবিক হতে পারেননি। ড্রয়ারের ভেতর মাহাতাবের কাপড়গুলো বুকে জড়িয়ে ধরে পাগলের মত করেন।"

উড্ডয়ন বন্ধ হয়নি এখনও ক্ষোভ অসন্তোষ
দুর্ঘটনার দিন সকালে স্কুলের নতুন জামা পরে, বাবার সঙ্গে অর্ধেক রাস্তা নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে স্কুলে গিয়েছিলেন চতুর্থী শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিম আফরোজ আয়মান।
সেদিনের দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যায় ১০ বছরের শিশুটি।
দুর্ঘটনার দিনের সকালের কথা মনে করে আয়মানের মা আয়েশা আক্তার কানন বলেন, “সকাল বেলা ওরে নতুন ড্রেসটা পরায় দিলাম। দুইটা রুটি খায়িয়ে ওর বাবার সঙ্গে স্কুলে পাঠালাম, আয়মান গাড়ি ড্রাইভ শিখেছিল, অর্ধেক রাস্তা বাবার সঙ্গে নিজে চালিয়ে গেল। সাজিয়ে গুছিয়ে স্কুলে না, মনে হলো যমের হাতে মেয়েটাকে তুলে দিয়ে এলাম, মা হয়ে যদি জানতাম ২১ তারিখ এমন ঘটনা ঘটবে, তাহলে স্কুলে পাঠাতাম না।”
বিমানবাহিনীর ‘উদাসীনতা’, ভবনের ত্রুটিপূর্ণ নকশা এবং ঝুঁকিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় বিমান উড্ডয়ন চালু রাখা নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে স্বজনদের।

নিহত তানভীর আহমেদের ছোট ভাই তাশফিক আহমেদকে এই স্কুল থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রুবেল মিয়া। কিন্তু অন্য স্কুলে ছেলে মানিয়ে নিতে পারবে না বলে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন তিনি।
"বাধ্য হয়ে বুকে পাথর চাপা দিয়ে, আবার আমি ছেলেকে এখানে দিয়েছি।"
প্রশিক্ষণ বিমান চলাচল নিয়ে রুবেল মিয়ার অভিযোগ, দুর্ঘটনার পরও এলাকায় উড্ডয়ন বন্ধ হয়নি।
"এখনো প্রশিক্ষণ বিমান ওদের শিডিউল অনুযায়ী দিব্যি প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এখন আগের থেকে বিমান প্রশিক্ষণ মহড়া বেশি হচ্ছে। আমরা তো সবসময় আতঙ্কে থাকি, আমরা সবসময় ভয়ে থাকি, যে না জানি আবার একটা ঘটনা ঘটে যায়।"
এই ঘটনার পর কোনো জবাবদিহিতা ছিল না বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
ঘুরপাক খাচ্ছে যত প্রশ্ন
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে পাইলটসহ নিহতদের মধ্যে ২৮ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষক, তিনজন অভিভাবক ও একজন কর্মচারী ছিল।
দুর্ঘটনার পর ২৯ জুলাই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, ৫ নভেম্বর তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেয় কমিটি।
প্রত্যক্ষদর্শী, ভুক্তভোগী ও বিশেষজ্ঞের সাক্ষ্য নিয়ে ১৬৮টি তথ্য উদ্ঘাটন করে কমিটি; সুপারিশ করে ৩৩টি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রশিক্ষণ চলাকালে পাইলটের উড্ডয়নের ত্রুটি ও নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

তদন্ত প্রতিবেদনের মূল সুপারিশ ও প্রশাসনের গাফিলতি নিয়ে নিহত তানভীরের বাবা রুবেল মিয়া বলেন, "তদন্ত কমিশন গঠন হয়েছিল, সেখানে দুইটা পয়েন্ট উল্লেখ আছে। একটা হচ্ছে বিল্ডিংয়ের কোড মানা হয়নি, আরেকটা হচ্ছে বিমানের উড্ডয়নের ত্রুটি ছিল। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কোনো কারণ আমাদের জানানো হয়নি।
“আরেকটা বিষয় ছিল, দুর্ঘটনার পরে বলা হয়েছিল আহত পরিবারকে ৬০ লাখ টাকা এবং নিহত পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এটাও সরকার বাস্তবায়ন করেনি। আমাদের যে টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল আমরা সেটা ফেরত পাঠিয়েছি। "
তদন্ত প্রতিবেদন ও বিমানবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে একই ধরনের প্রশ্ন তোলে নিহত মাহতাবের পরিবারও।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন গোপন রাখা এবং বিমানবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মাহতাবের বাবা মিনহাজ বলেন, "এ ঘটনার পরপরই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটা তদন্ত কমিটি করেছিল। ওই কমিশনের একটা প্রতিবেদনও জমা পড়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সেটা জানতে পারিনি। কী হলো, কেন হলো, কীভাবে হলো, কার ফল্ট, এটা আজও আমাদের কাছে তুলে ধরা হয়নি।
"এ ঘটনার পর বিমানবাহিনী কর্তৃপক্ষ তেমন কোনো ভূমিকা নেয়নি; টোটালি নেয়নি। একটা বছর চলে যাচ্ছে, তারা কি আমাদের খোঁজ নিয়েছে, আমরা কেমন আছি? এই কথাটা জিজ্ঞেস করারও তাদের সময় হয়নি। এটা একমাত্র বাংলাদেশেই সম্ভব হয়েছে। অন্য কোনো দেশ হলে বিমানবাহিনীর প্রধানকে পদত্যাগ করতে হত, জবাবদিহিতার আওতায় আসতে হত, কেন এ ঘটনা ঘটল, কেন এই জায়গায় উড্ডয়ন হল, কেন এখানে স্কুলটা হল। জনবসতি এলাকায় কখনো কি একটা প্রশিক্ষণ বিমান এভাবে উড়তে পারে? পারে না। আর এখনো কেন স্কুলটা এখানেই রয়ে গেল?"
এই অভিভাবকের দাবি, “হয় স্কুল সরানো হোক, নয়তো প্রশিক্ষণ এলাকা অন্যত্র নেওয়া হোক।”

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়মানের মা আয়েশা আক্তার বলছিলেন হাসপাতালে নেওয়ার পর দগ্ধ মেয়ের কাটানো সেই চার দিনের দুঃসহ সময়ের কথা।
তিনি বলেন, “আমার মেয়েটা সাহসী, শান্ত ছিল। হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার ১০ বছরের বাচ্চাটা আমাকে বলতেছে, 'আম্মু, আমার কিচ্ছু হয় নাই, তুমি কিন্তু কাঁদবা না। আর বাবা যেন না কাঁদে।' ছোট বোন দুইটাকে কোথায় রেখে এসেছি খোঁজ নিচ্ছিল। ওর সঙ্গে ওর বান্ধবী ছিল, তার খোঁজ নিতে বলল, তার এক শিক্ষকও আহত হয়েছে, তারা কেমন আছে জানতে চাইল। ওর গলা থেকে সারা শরীর পুড়ে গিয়েছিল, চারদিন কষ্ট করে ২৫ তারিখ শুক্রবার ভোরে আয়মান মারা যায়।”
“আজ এক বছর হয়ে গেছে। আমরা উত্তরার ওই বাসায় আর কোনোদিন পা রাখিনি। বাসাটা তালা মেরে রেখে চলে আসছি। ওর বাবা আজ পর্যন্ত ওই গলিতেই ঢোকেনি। আয়মানের স্মৃতি—ওর খেলার ক্লে, পানির বোতল, খাতা সব ওই টেবিলে আগের মতই পড়ে আছে। সকালে যে ড্রেসটা পরে ও স্কুলে গেছিল, ওর গেঞ্জি আর প্যান্টটা এখনো ওই ঘরেই ঝুলানো আছে।”

ক্ষতিপূরণ নিতে অনীহা
অন্তর্বর্তী সরকার এ দুর্ঘটনায় আহতদের সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা এবং নিহতদের পরিবারকে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে ডিসেম্বরে একটি উদ্যোগ নিয়েছিল।
পরে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ লাখ এবং আহতদের প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সরকার ও স্কুল কর্তৃপক্ষের দেওয়া ক্ষতিপূরণ প্রত্যাখ্যান করে তাদের পরিবার।
এ প্রসঙ্গ টেনে আয়মানের মা বলেন, "আমাদের কাছে সরকারের পক্ষ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু আমরা এক টাকাও ছুঁই নাই। টাকা দিয়ে আমি কী করব? সারা দুনিয়া এনে দিলেও কি আমার আয়মান ফিরে আসবে? আমি তো বলেছিলাম, আমি উল্টো টাকা দেই, আমার আয়মানকে এক সেকেন্ডের জন্য আমার বুকে এনে জড়িয়ে ধরতে দেন।"
এই মা দাবি করেন, "সরকারের কাছে আমার আর কোনো চাওয়া নেই, শুধু একটাই দাবি—স্কুলটা এখান থেকে সরিয়ে ফেলা হোক। এখনও এই স্কুলের ওপর দিয়ে বিমান যায়। রানওয়ে আগে হইছে, স্কুল পরে। এটা এখনো ঝুঁকিপূর্ণ। আমার আয়মান তো চলে গেছে, কিন্তু ওর মত শত শত আয়মান এখনো ওই স্কুলে পড়ে। আমি চাই না আর কোনো মায়ের বুক এভাবে খালি হোক।"

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরুন নবী বলেন "এটা আসলে আমাদের বিষয় না, এটা সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি ও রাজউকের বিষয়।
“প্রশিক্ষণের জন্য যে যুদ্ধবিমান ছিল, সেটা কিন্তু এখন নাই, সেটা কিন্তু উইথড্র করে নিয়ে গেছে। আপনারা মাঝে মাঝে দুই একটা যুদ্ধবিমান দেখেন, এগুলো হলো ফর দ্য সেফটি অফ দ্য সিটি। বাট প্রশিক্ষণ এখন আর এখানে হয় না। প্রশিক্ষণ এখান থেকে বাংলাদেশ এয়ারফোর্স সরিয়ে নিয়ে গেছে।"
দুর্ঘটনার পর স্কুলের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, “দুর্ঘটনার পরপরই পুরো প্রতিষ্ঠান স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমরা প্রায় তিন মাসের চেষ্টায় অনেকটা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে আনার চেষ্টা করেছি। যারা আহত হয়নি, তারা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে, আর আহতদের প্রায় সবাই ক্লাসে ফিরেছে। দুই-তিনটা-চারটা বাচ্চা আছে, যাদের অবস্থা একটু খারাপ, তারা প্রোগ্রেসিং। নিহত পরিবারের সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, আমাদের দিক থেকে যা করার, আমরা করছি।”
সরকারের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেখভাল করেছে এবং স্কুল কর্তৃপক্ষও তাতে যুক্ত ছিল। অভিভাবকরা আর্থিক সাহায্য ফিরিয়ে দিয়েছে, যে আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে, তা যথেষ্ট ছিল না। অভিভাবকরা সন্তুষ্ট হননি, বিশেষত আহত বাচ্চাদের বেলায়।
“শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমাদের বহুবার বলেছে, টাকাটা গ্রহণ করার জন্য, কিন্তু অভিভাবকরা যেহেতু টাকা নিতে রাজি হননি, আমরা টাকাটা গ্রহণ করিনি। একজন অভিভাবকও ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করেননি।"
আরো পড়ুন
মাইলস্টোন ট্রাজেডি: ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
মাইলস্টোন ট্রাজেডি: বিধ্বস্ত বিমান, অচেতন দায়িত্ববোধ
মাইলস্টোন কলেজে আছড়ে পড়ল বিমান বাহিনীর উড়োজাহাজ, নিহত অন্তত ২০