Published : 26 Feb 2026, 05:48 PM
নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে বিএনপি সরকার।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, অর্থ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে বুধবার পর্যন্ত নেওয়া কৃষকদের ঋণ মওকুফের আওতায় আনা হবে। সুদসহ এ পাওনার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।
এ সিদ্ধান্তে প্রায় ১২ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ঋণের দায়মুক্ত হয়ে নতুন করে উৎপাদনে মনোনিবেশ করতে পারবেন।
“ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ ব্যয় হতো তা কৃষকরা উন্নত বীজ, আধুনিক সেচ প্রযুক্তি ও উৎপাদন ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করতে পারবেন। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতা কমবে।”
সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঋণ মওকুফের ফলে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড উন্নত হবে। ফলে তারা ভবিষ্যতে ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নিতে পারবেন এবং উচ্চ সুদের মহাজনী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, ঋণের বোঝা কমলে গ্রাম থেকে নগরে অভিবাসন হ্রাস এবং গ্রামীণ মূল্যস্ফীতি কমতেও সহায়ক হতে পারে।
তিনি বলেন, এর আগে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ মেয়াদে তৎকালীন বিএনপি সরকার ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ ও আসল মওকুফ করেছিল।
অফিসসূচি মানার নির্দেশনা
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবদের সময়মতো অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিজেও নিয়মিত সকাল ৯টার আগেই অফিসে আসেন।
“যদি কেউ সঠিক সময়ে অফিসে না আসেন, তাহলে সরকারি যে আইনগত প্রক্রিয়া আছে তা নিখুঁতভাবে অনুসরণ করা হবে।”