Published : 26 Aug 2025, 09:49 PM
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার হওয়া যুবক।
নিহত নারীর নাম শ্যামলী খাতুন (২৮)। আর গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. সুজন (৪০)। ছুরি মেরে পালানোর সময় রেলওয়ে পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে ধরে ফেলে।
গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার সুজনকে আদালতে তোলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রেলওয়ে থানা পুলিশের এসআই আব্দুল মজিদ।
সেখানে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তাজুল ইসলাম সোহাগ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
সুজনের স্বীকারোক্তির বরাতে এসআই আব্দুল মজিদ বলেন, “শ্যামলী তালাকপ্রাপ্ত। তার সঙ্গে সুজনের সম্পর্ক ছিল। এর মধ্যে আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার অভিযোগে সুজন তাকে হত্যা করেন।”
এর আগে ঢাকা রেলওয়ে জেলার পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বলেন, সোমবার রাত পৌনে ১১টা থেকে ১১টার মধ্যে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় শ্যামলীকে হত্যা করা হয়।
“হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি সুজন নিজের বাসা থেকে টি-শার্ট দিয়ে পেঁচিয়ে শপিং ব্যাগে করে স্টেশনে নিয়ে আসেন। এরপর শ্যামলীকে বেড়ানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে কমলাপুর স্টেশনের পাশে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। এরপর রেললাইনের ওপর ফেলে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন।”
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সুজন পোশাকের ব্রান্ড ‘অঞ্জনস’ এর একটি শো রুমে কাজ করেন। আর নিহত শ্যামলী আগে ‘স্বপ্ন’ সুপার শপে কাজ করতেন; কয়েক মাস ধরে তিনি কিছু করছিলেন না।
সুজনের স্ত্রী ও দুটি সন্তান রয়েছে। আর শ্যামলী স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর এক সন্তান নিয়ে থাকছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
শ্যামলীকে হত্যার ঘটনায় তার ভাই মিজানুর রহমান রেলওয়ে থানায় মামলা করেছেন।
আরও পড়ুন