Published : 28 Apr 2026, 11:41 PM
নথি ও কর্মকর্তাদের সই জাল করে সরকারি জমি ব্যক্তির নামে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করে দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) ৫ কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বহিরাগত ৪ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে।
গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নথি সংরক্ষণ বিভাগের হিসাব সহকারী জাহিদুল হুদা মামলাটি করেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন রাজধানীর রূপনগর এলাকায় পুনর্বাসনের দুটি প্লট জালিয়াতির এ তথ্য দেন।
তিনি বলেন, “রূপনগর এলাকার পুনর্বাসনের দুটি প্লটের নথি বের করে ওই ৫ জন ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ওই ৫ কর্মচারীকে শোকজ ও একটি মামলা হয়েছে।
“বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় অভিযুক্তদের নাম এই মুহূর্তে প্রকাশ করা হচ্ছে না।”
গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের একের পর এক প্লট ব্যক্তির নামে ‘বেহাত’ হওয়ার খবর সংবাদমাধ্যমে আসছে কয়েক বছর ধরে।
মিরপুর হাউজিং এস্টেট ও রূপনগর এলাকার পুনর্বাসন প্রকল্পের প্রায় ৬ হাজার একর জমি রয়েছে। এসব জমিতে কয়েক হাজার প্লট আছে। স্বাধীনতার আগে থেকে সেখানে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে এখনো অনেক প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।
খালি প্লটের অনেকগুলো দখল করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন কিছু মানুষ। এমন কিছু প্লটের নথি জাল হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরও জাল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, “শনিবার গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে, রূপনগর ১৯/২ এলাকার ৯/১ নং পুনর্বাসন নথিটি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে আমমোক্তার দলিল গ্রহণ করে সম্পাদিত হয়েছে।”