১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

লাল কাপড়ের নিচে মিলল ‘কারনেটের গাড়ি’

অনেক গাড়ি সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়েছে— হটলাইনে এমন অভিযোগ পায় দুদক।

লাল কাপড়ের নিচে মিলল ‘কারনেটের গাড়ি’
সড়কের পাশে গাড়ি ফেলে রাখার অভিযোগ অনুসন্ধানে সোমবার তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকায় অভিযান চালায় দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 May 2025, 12:58 AM

Updated : 26 Aug 2026, 12:45 PM

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে কারনেট সুবিধায় আনা গাড়ি ‘ফেলে রাখার’ অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা বলেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক বলছে, লাল কাপড়ে ঢেকে রাখা গাড়িগুলোর মধ্যে আউডি, বিএমডব্লিউ, ল্যান্ড রোভার, ভলভো ও টয়োটার মত ব্র্যান্ড রয়েছে।

অবৈধভাবে কারনেট সুবিধায় আনা বিলাসবহুল গাড়ি সড়কের পাশে `ফেলে রাখা' হয়েছে— নিজেদের হটলাইনে সম্প্রতি এমন অভিযোগ পায় দুদক। 

অভিযোগ অনুসন্ধানে সোমবার দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট তেজগাঁও বাণিজ্যিক এলাকায় অভিযান চালায় বলে কমিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। 

অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের সহকারী পরিচালক শাহআলম শেখ; সঙ্গে ছিলেন উপসহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান ও মো. শাহজাহান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযানে দেখা যায় আউডি, বিএমডব্লিউ, ল্যান্ড রোভার, ভলভো ও টয়োটার মত ব্র্যান্ডের গাড়ি দীর্ঘদিন সরকারি রাস্তার পাশে লাল কাপড় দিয়ে ঢেকে ফেলে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলে দুদক জানতে পারে, গাড়িগুলো মাল্টিব্রান্ড ওয়ার্কশপ লিমিটেড নামে একটি কোম্পানির এবং সেগুলো দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই সেখানে পড়ে রয়েছে। 

এনফোর্সমেন্ট টিম গাড়িগুলোর রেজিস্ট্রেশন নম্বর সংগ্রহ করে এবং ওয়ার্কশপের ডেটাবেজ যাচাই করে নিশ্চিত হয় যে, গাড়িগুলো সত্যিই তাদের ক্রেতাদের কিনা।

গাড়িগুলো কী কারণে ওয়ার্কশপে আনা হয়েছে, সেগুলো কে নিয়ে এসেছে, প্রকৃত মালিক কে এবং গাড়িগুলো এখনও কেন ফেলে রাখা আছে- এসব বিষয়ও যাচাই করা হয়।

দুদক বলছে, গাড়িগুলো কারনেট সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে দেশে আনা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। রেজিস্ট্রেশন ও মালিকানা সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হয় বিআরটিএ থেকে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, কিছু গাড়ি কয়েক মাস ধরে এবং কিছু গাড়ি এক বছর পর্যন্ত সরকারি জায়গায় ফেলে রাখা হয়েছে, যা সন্দেহজনক। সব তথ্য ও রেকর্ড পর্যালোচনা শেষে এনফোর্সমেন্ট টিম বিস্তারিত রিপোর্ট কমিশনে জমা দেবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।