২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ঈদ মোবারক’ কার্টুন: প্রথম আলোর সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তে সিআইডি

সিআইডিকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ৭ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

‘ঈদ মোবারক’ কার্টুন: প্রথম আলোর সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তে সিআইডি
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Jul 2025, 04:34 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:21 PM

রোজার ঈদে প্রকাশিত একটি কার্টুনে ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ দেওয়ার অভিযোগ তুলে দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহামের বিরুদ্ধে করা মামলা সিআইডিকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম সাইফুজজামান এ আদেশ দেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডিকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ৭ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। 

প্রথম আলোর সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান ছাড়াও কনটেন্ট তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রাফিক্স ডিজাইনার এই মামলার অপর আসামি।  

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি ইমরান হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ২৮ এপ্রিল নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছিলেন। এরপর কয়েকদফা আদেশ পেছানো হয়। এদিন আদালত মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিলেন।

গত ৩০ মার্চ প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতার প্রকাশিত ওই কার্টুনে দেখা যায় দুই শিশুর হাতে ‘ঈদ মোবারক’ লেখা একটি ব্যানার। তাদের একজনের হাতে বেলুন। তাদের পেছনে আরো কিছু শিশু, আকাশে ঈদের চাঁদ দেখা যাচ্ছে, একটি পাখি হাসিমুখে উড়ছে আর শিশুদের পাশে রয়েছে একটি কুকুর।

এখানে ওই কুকরের ছবি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন মামলার বাদী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, “ওই ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুনের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মের পবিত্র উৎসবকে অবমাননা করা হয়েছে। প্রথম আলোর মত একটি জাতীয় পত্রিকা মুসলিম ধর্মের ঈদের মত একটি পবিত্র ইবাদতকে কটাক্ষ করতে দ্বিধা করে নাই। একটি কুকুরের হাস্যরসাত্মক কার্টুনের সাথে মানুষের আনন্দকে চিত্রায়িত করে ঈদের পবিত্রতা এবং মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় অনুভূতিকে চরমভাবে অবমাননা করা হয়েছে। 

“এই কাজটি একটি সচেতন এবং সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ঈদুল ফিতরের মত মহান ধর্মীয় উৎসবকে অপমানিত এবং হেয় করার ঘৃণ্য প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।”

এই অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন,“বিষয়টি আদালতে গেছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আদালতেই এর নিষ্পত্তি হবে।”