২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষায় মেয়েরা যাতে পিছিয়ে না পড়ে: স্পিকার

শিরীন শারমিন বলেন, “তথ্য প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞানে শিক্ষিত করে তোলা সময়ের দাবি।”

কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষায় মেয়েরা যাতে পিছিয়ে না পড়ে: স্পিকার
বুধবার ঢাকার বিএসএমএমইউয়ে ইউসেপ বাংলাদেশের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 May 2024, 04:11 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:37 AM

কারিগরি ও তথ্য-প্রযুক্তি শিক্ষায় মেয়েরা যাতে পিছিয়ে না পড়ে, সেদিকে গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, “ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে অগ্রসর হওয়ার পথে মেয়েরা যাতে কোনোভাবে পিছিয়ে না পড়ে, সেই বিষয়টির প্রতি আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে। তাদেরকে তথ্য প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞানে শিক্ষিত করে তোলা সময়ের দাবি।”

বুধবার  রাজধানীর  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে ইউসেপ বাংলাদেশের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে স্পিকার শিরীন শারমিন কথা বলছিলেন। 

সমাজে মেয়েদের অবস্থানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “কোনো পরিবারে যদি একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থাকে, সেখানে বোনের চেয়ে ভাইকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কিন্তু মেয়েদেরও জন্যও সমান সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে।”

“একটা ল্যাপটপ দিয়ে মাসে অন্তত এক হাজারের বেশি ইউএস ডলার আয় করছে অনেকে। আমাদের কাছে অনেকে আসেন যে, একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দেন। মাসে এক হাজার ডলারের চাকরি জোগাড় করা যতটা না দূরহ, তার চেয়ে তাকে একটা ল্যাপটপ দিয়ে দিলে সে নিজেরটা নিজেই করে নিতে পারছে এবং পরিবারকেও এগিয়ে নিতে পারছে।"

শিরীন শারমিন বলেছেন, বিশ্বায়নের যুগে তাল মিলিয়ে চলার জন্য যুব সমাজকে কারিগরি ও তথ্য-প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা সম্ভব হলে সেটি জাতীয় অর্থনীতিতে কাজে লাগবে। 

ইউসেপ বাংলাদেশের বিভিন্ন অবদান তুলে ধরে শিরীন শারমিন চৌধুরী জানান, দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে এই সংস্থটি দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কারিগরি শিক্ষা দিয়ে আসছে।

“সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে সুবিধাবঞ্চিত পথিশিশুদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে শোভন কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ নিয়ে নিউ জিল্যান্ড থেকে এসে লিন্ডসে অ্যালান চেইনি এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন। তার এই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন চিন্তা ও জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার আকাঙ্ক্ষা একই ধারায় নিযুক্ত ছিল।”

অনুষ্ঠানে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “আমি আশা করব, বৈশ্বিক পরিস্থিতর সঙ্গে মিল রেখে দেশ ও বিদেশের দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা পূরণে ইউসেপ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আগামী ৫ বছর পর অদক্ষ শ্রমিক বিদেশে যাবে না। আমাদের রেমিটেন্স যোদ্ধাদের দক্ষ করে আমরা বিদেশে পাঠাব।”

অনুষ্ঠানে ইউসেপ বাংলাদেশের বোর্ড অব গভর্নরসের চেয়ারপারসন মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে কানাডার হাই কমিশনার লিলি নিকোলস, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম বক্তব্য দেন। 

স্বাগত বক্তব্য দেন ইউসেপ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুল করিম।