আলাদা ক্যাডার ও ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা চান ইসি কর্মকর্তারা
আচরণবিধি প্রতিপালনে ইসি কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন।
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারে একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন।
এর মধ্যে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে ক্যাডার সার্ভিস গঠন, জাতীয় নির্বাচনে ইসির নিজস্ব কর্মকর্তাদের রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া, আচরণবিধি প্রতিপালনে ইসি কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে।
মঙ্গলবার নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান বলেন, নির্বাচনি আইনের সংস্কার ও প্রশাসনিক সংস্কার বিষয়ে অন্তত ২৯টি দফা তারা তুলে ধরেছেন।
নির্বাচন ভবনে নির্বাচনি ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদারের কাছে সোমবার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রস্তাবগুলো লিখিত আকারে দেন।
প্রস্তাবে এনআইডি সেবা ইসির অধীনে রাখা, প্রবাসীদের ভোটাধিকার, ‘না’ ভোটের বিধান চালুর কথাও বলা হয়েছে।
সরকারের নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছে সংস্কার কাজের জন্য পরামর্শ, মতামত ও প্রস্তাবনা মতামত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে।
অন্তবর্তীকালীন সরকার গত ৩ অক্টোবর 'নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন' গঠন করে। ৯০ দিনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেওয়ার কথা রয়েছে আট সদস্যের এই কমিশনের।
বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বাধীন কমিশনের অন্য সদস্য হলেন- স্থানীয় সরকার ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ শিক্ষাবিদ তোফায়েল আহমেদ; নির্বাচন ব্যবস্থা, ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিশেষজ্ঞ ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী; নির্বাচন বিশেষজ্ঞ মো. আব্দুল আলীম; রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ও ওপিনিয়ন মেকার জাহেদ উর রহমান; শাসন প্রক্রিয়া ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিশেষজ্ঞ মীর নাদিয়া নিভিন; ইলেকট্রনিক ভোটিং ও ব্লকচেইন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ সাদেক ফেরদৌস এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।
আরও পড়ুন-
