রংপুরে শিক্ষক পরিবারে ৪ হত্যা: আলামতের সঙ্গে ২ আসামির ডিএনএর মিল
“বিষয়টা এখন সায়েন্টিফিক্যালি প্রুভড, তারা দুজন মিলেই ঘটনাটা ঘটাইছে,” বলেন পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী।
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার আলামতের সঙ্গে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ পরীক্ষায় মিল পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, “ঘটনাস্থলের বিভিন্ন আলামতের সঙ্গে অভিযুক্ত দুই যুবকের ডিএনএ প্রোফাইল ম্যাচ করেছে। চারজন ৪ জন ভিকটিম আর দুইজন সন্দেহভাজনের বাইরে সপ্তম কোনো ব্যক্তির ডিএনএ পাওয়া যায়নি।”
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, “বিষয়টা এখন সায়েন্টিফ্যাকেলি প্রুভড, তারা দুজন মিলেই ঘটনাটা ঘটাইছে।”
গত ২১ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার দুই আসামিকে রংপুর থেকে ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য ঢাকার সিআইডি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছিল।
এর আগে ২২ অগাস্ট রাতে মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং তাদের দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দুই দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়া এবং বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় স্বজনরা সেখানে গিয়ে তালাবদ্ধ ঘরের ভেতর মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তারা আদালতে জবানবন্দি দেন। তদন্তে এরই মধ্যে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, জবানবন্দি ও বিভিন্ন আলামত পর্যালোচনা করছে ডিবি। নানা আলোচনার মধ্যে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দুই আসামির সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টার কথা বলেছিলেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
