১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ফল রপ্তানি বাড়বে, আশা কৃষিমন্ত্রীর

“এখন দেশের কৃষকরা এমন মানসম্পন্ন ও সুস্বাদু ড্রাগন ফল উৎপাদন করছেন, যা বিদেশি ফলের চেয়েও স্বাদে ভালো।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Jun 2026, 02:43 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:26 PM

ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে ফল রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি বলেছেন, “বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সক্ষমতা বাড়ছে, আমদানি কমছে এবং ইতোমধ্যে আম, আনারস ও কাঁঠাল রপ্তানিও শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই ড্রাগন ফলসহ আরও বিভিন্ন ফল বিদেশে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে।”

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

আমিন উর রশিদ বলেন, “কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে ড্রাগন ফল আমদানি করতে হতো। এখন দেশের কৃষকরা এমন মানসম্পন্ন ও সুস্বাদু ড্রাগন ফল উৎপাদন করছেন, যা বিদেশি ফলের চেয়েও স্বাদে ভালো। 

“এ কারণে ভবিষ্যতে ড্রাগন ফলও রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।”

এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “কৃষি বাজেট কমেনি; বরং বিগত যেকোনো বাজেটের চেয়ে এবার কৃষিতে বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছে। 

“গত অর্থবছরের তুলনায় কৃষি বাজেট ১০ শতাংশ বেড়েছে এবং উন্নয়ন বাজেট বেড়েছে ৫৯ শতাংশ বেড়েছে। যারা এর বাইরে বলছে, তারা হয়তো হিসাব না করেই বলছে।” 

উদ্বোধনের পর কৃষিমন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

তিন দিনের এ মেলায় দেশি জাতের ১০৮ ধরনের ফল রয়েছে। এর মধ্যে কেবল আমই রয়েছে ৫৫ জাতের।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত কৃষি অফিসার সৈয়দা ইসরাত জাহান বলেন, দেশীয় বিভিন্ন ফল মানুষের কাছে তুলে ধরতেই প্রতিবছর এ মেলার আয়োজন করা হয়। 

মেলায় আসা সাউথপয়েন্ট স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজমুল হোসেন বলেন, “এই মেলায় আসলে অনেক ভালো লাগে। একসঙ্গে এতগুলো ফল আর অন্য কোথাও দেখা যায় না। 

“তবে একটা কষ্টের বিষয় এখান থেকে কোনো ফল চাইলেও কেনা যাচ্ছে না।” 

মেয়ে শিরিন ইসলামকে নিয়ে এসেছেন শাহানাজ বেগম। 

তিনি বললেন, “বাজার থেকে নিয়মিত নিয়ে আসা ফল মেয়ে খায়। কিন্তু দেশে আরো যে কত ধরনের ফল রয়েছে, সেগুলো দেখাতে মেয়েকে নিয়ে এসেছি।”