Published : 16 Jul 2026, 04:44 PM
সুরমা নদীর পানি কমতে থাকায় সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পুর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার ও সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমাটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের একজন কর্মকর্তা দুপুরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যে দুটি পয়েন্টে পানি এখন বিপৎসীমার উপরে আছে, সেখানে পানি নেমে যাবে।
“উজানে ভারত থেকে আসা পানির ঢলও নেই এখন। বৃষ্টিপাতও কমেছে। সবমিলিয়ে এখানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। সাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, তবে, এর প্রভাবেও দুই জেলায় ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আগামী তিন দিনে নেই।”
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়েছে, অপরদিকে সুরমা নদীর পানি কমেছে; যা আগামী তিন দিন কমতে পারে।
এদিন সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
গেল ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি বেড়েছে, যা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে; তবে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
একই সময়ে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বেড়েছে, যা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে; তবে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের মনু, ধলাই, খোয়াই ও সারিগোয়াইন নদীর পানি বেড়েছে; যা আগামী তিন দিন কমতে পারে।
একই সময়ে উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি কমেছে, যা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের উপকূলীয় কীর্তনখোলা, লোয়ার-মেঘনা, পশুর, ইছামতি ইত্যাদি নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং স্বাভাবিক জোয়ার বিরাজমান আছে।
আগামী তিন দিন নদীগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জোয়ার থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।