Published : 24 Jul 2026, 10:32 PM
আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তিন বছর তিন মাসের মাথায় পদত্যাগ করেছেন।
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন সাহাবুদ্দিন। তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা। তবে নির্বাচিত সরকারের প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসের মাথায় পদত্যাগ করলেন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি ছিলেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি।
মো. সাহাবুদ্দিনসহ ১৮ জন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছে, তাদের মধ্যে সাতজন বিদায় নিয়েছে পদত্যাগ করে।

সবশেষ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অভ্যুত্থানের পক্ষের কয়েকটি সংগঠন তার পদত্যাগের দাবিতে তুমুল আন্দোলন শুরু করেছিল। তখন বিএনপি সাংবিধানিক সংকট তৈরির আশঙ্কা তুলে রাষ্ট্রপতিকে সরানোর বিরোধিতা করেছিল। শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার আর সে পথে হাঁটেনি। মো. সাহাবুদ্দিনও পদত্যাগ করেননি।
দুর্বিষহ পরিস্থিতির মধ্যে রাষ্ট্রপ্রধানের চেয়ারে থাকা সাহাবুদ্দিন নির্বাচনের আগে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর সরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, “আমি বিদায় নিতে আগ্রহী। আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই।”
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তাকে কোণঠাসা করে রাখা, বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলো থেকে তার ছবি সরিয়ে ফেলা এবং বঙ্গভবনের প্রেস উইং সংকুচিত করায় ‘অপমানবোধ’ করার কথাও পরে বলেছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করলেও রাষ্ট্রপতি তখন পদত্যাগ করেননি। ১৭ ফেব্রুয়ারি তার কাছেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন।
এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিএনপির সমর্থনের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, “আমার দুঃসময়ে বিএনপির সহযোগিতা শতভাগ ছিল।”
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় তার পাশে ছিল বলেও দাবি করেন মো. সাহাবুদ্দিন।



যে কারণে পদত্যাগ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন–এমন গুঞ্জনের মধ্যে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগ করতে চাইলে সে সুযোগ তার আছে, তবে এ বিষয়ে সরকারের কোনো ‘পদক্ষেপ নেই’।
সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাতে হয়। এক্ষেত্রে স্পিকার নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগ করতে চাইলে স্বাস্থ্যগত কারণে বা যে কোনো কারণে, তার সে অপশন আছে। আমরা তো জানি না।”
শুক্রবার বিকালে সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের বিষয়ে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।”
পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করা হয়ে গেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বলে দিছি, বুঝে নেন।”
বিকালে সংবাদ সম্মেলনে এসে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করার বিষয়টি তুলে ধরে বলেছেন তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করেছেন বলে জানান হাফিজ উদ্দিন।
পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, “আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানিং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি নামে রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই।
“রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন। এমন অবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করছি।”

নব্বইয়ের পর বিএনপির আমলেই পদত্যাগ
স্বাধীনতার পর থেকে ২২ মেয়াদে এ পর্যন্ত ১৮ জন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশের আইনে এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে থাকতে পারেন। এই পদে কয়েকজন একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন।
সবশেষ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছিলেন অষ্টাদশ ব্যক্তি।
স্বাধীনতার পর অন্তত পাঁচজন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ঘটনা থাকলেও নব্বইয়ের পর বিএনপির শাসনামলে দল মনোনীত রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের ঘটনা প্রথম ঘটে।
অষ্টম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতি হন এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (বি চৌধুরী)।
২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সাড়ে সাত মাসের মাথায় বঙ্গভবন ছাড়তে হল তাকে।
বিএনপির সঙ্গে দলের অনাস্থার মুখে ২০০২ সালের ২১ জুন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
তার পদত্যাগের দুই যুগ পরে এবারও বিএনপির আমলে আরেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ করলেন। তবে এবারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ মনোনীত ছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। পতন ঘটে আওয়ামী সরকারের।
সেই সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিনকে মেয়াদপূর্তির দেড় বছরের বেশি সময় আগেই বঙ্গভবন ছাড়তে হল।

আগে যারা পদত্যাগ করেছিলেন
স্বাধীনতার ৫৫ বছরে ২২ জন রাষ্ট্রপতি দেখেছে দেশ। মেয়াদ পূর্ণ করেছেন অনেকে, দ্বিতীয় মেয়াদেও ছিলেন কেউ।
বিজয়ের বছর দুয়েক পর রাষ্ট্রপতির পদ ছেড়ে কেউ বিশেষ দূত হয়েছিলেন, আবার সামরিক শাসনামলে পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন কেউ। প্রধান সামরিক শাসক যত দিন চাইবেন ততদিন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, এমনও ছিলেন কেউ।
নব্বইয়ে সংসদীয় গণতন্ত্রে ফেরার পর দুই জন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ঘটনা ঘটল।
বদরুদ্দোজা চৌধুরী চৌধুরী ও মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের প্রসঙ্গে সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, “বিএনপি সরকারের আমলে বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের ঘটনা প্রথম ২০০২ সালে। এটার একটা প্রেক্ষাপট ছিল বিএনপির সঙ্গে মতপার্থক্য। আর এবার ২০২৬ সালের পদত্যাগের প্রেক্ষাপট ভিন্ন; কারণ এবার বিএনপির মতপার্থক্যের কারণে নয়, আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি হওয়ায়, এমন হল।”
ভিন্ন দলের হওয়ায় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ঘটনা এবারই প্রথম বলে তুলে ধরেন তিনি।
সামরিক শাসনামলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের প্রেক্ষাপট এই দুটির সঙ্গে মেলানো যাবে, বলেন সাবেক এই আমলা।
জিয়াউর রহমানের আমলে ১৯৭৭ রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়েন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। এইচএম এরশাদের আমলে ১৯৮২ সালে পদত্যাগ করেছিলেন বিচারপতি আবদুস সাত্তার।
সাবেক সচিব আউয়াল মজুমদার বলেন, “সামরিক শাসন আমলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ঘটনাগুলো, এগুলোর সাথে মিলবে না, এসব বিবেচনার নয়। বিশেষ করে সায়েম সাহেব, সাত্তার সাহেবকেও পদত্যাগ করতে হয়।”
পরবর্তীতে বিচারপতি আবুল ফজল মোহাম্মদ আহ্সানউদ্দিন চৌধুরীর পদত্যাগের ঘটনা ঘটে একই আমলে, ১৯৮৩ সালে।
“আহ্সান সাহেবকেও পদত্যাগ করতে হয়েছে, এটা ছিল আরও বিচিত্র, পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নজির ছিল না। আহ্সানউদ্দিন চৌধুরীর অ্যাপয়েন্টমেন্টে লেখা ছিল, প্রধান সামরিক প্রশাসক যতদিন সন্তুষ্ট থাকবেন উনি ততদিন রাষ্টপতি থাকবেন। এটা বিষ্ময়কর,” বলেন সাবেক সচিব।
স্বাধীনতা পরবর্তী প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি একই দিনে তিনজন শপথ নিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হিসেবে এবং আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম শপথ নিলেন প্রধান বিচারপতি হিসেবে।
“আবু সাঈদ চৌধুরী তৃতীয় রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তিনিও পদত্যাগ করেছিলেন, পরে সাবেক এ রাষ্ট্রপতি বিশেষ দূত হিসেবে বিদেশে দায়িত্বও পালন করেছিলেন।”

রাষ্ট্রপতি ছিলেন যারা

পরবর্তী রাষ্টপতি নির্বাচন কীভাবে?
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। আর ৪৮(১) অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান রয়েছে।
ফলে পছন্দের তালিকায় নাম থাকলেই কাউকে সরাসরি রাষ্ট্রপতি নিয়োগের সুযোগ নেই। তাকে প্রার্থী হতে হবে এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হতে হবে।
বর্তমান সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলটির সিদ্ধান্তই নির্ধারক হবে।
সংসদ বিষয়ক গবেষক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হবে স্পিকারের কাছে এবং নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত বা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হবেন স্পিকার।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদে পরোক্ষ ভোটে। সংসদ সদস্যরাই এই নির্বাচনে ভোট দেন। রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন ভোটের ব্যবস্থা করবে।
সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একবারই সংসদের কক্ষে ভোট করতে হয়েছিল।
পরে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল মনোনীত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন।
শূন্য হওয়াা ও নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী শূন্য পদে ৯০ দিনের মধ্যে আমাদের নির্বাচন করতে হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুয়ায়ী রাষ্ট্রপতির নির্বাচন হবে। এক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার থাকেন এ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার।”
শুধু ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস। আর বিরোধী দল আওয়ামী লীগ ও সমমনারা বদরুল হায়দার চৌধুরীকে প্রার্থী করে। সেসময় সংসদে ভোটের আয়োজন করা হয়।
সবশেষ ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়, বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি হন মো. সাহাবুদ্দিন।
সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মেয়াদ অবসানের কারণে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হওয়ার ক্ষেত্রে মেয়াদপূর্তির তারিখের আগের ৯০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হয়।
মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে এর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
'আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান': পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ
পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন সাহাবুদ্দিন
বিদায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের গুলশানের বাসায় বসছে নতুন টেলিফোন