২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

২০ বছর পর নাইকি ছেড়ে ফেদেরারের ব্র্যান্ডে এমবাপে

নাইকির সঙ্গে দুই দশকের সম্পর্ক চুকিয়ে সুইস ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন রেয়াল মাদ্রিদ তারকা, যে কোম্পানির কর্ণধারদের একজন টেনিস কিংবদন্তি রজার ফেদেরার।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 19 Sep 2026, 02:39 PM

Updated : 19 Sep 2026, 03:01 PM

সেই ছেলেবেলা থেকেই কিলিয়ান এমবাপের স্বপ্নের পথচলার সঙ্গী নাইকি। প্রতিভাবান বালক থেকে তার বিশ্ব ফুটবলের বড় তারকা হয়ে ওঠার ভ্রমণে দুই পক্ষের সম্পর্ক ছিল অটুট। তবে এই বন্ধন ছিন্ন হলো। নাইকি ছেড়ে স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড ‘অন’-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হলেন রেয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা।

সেই ২০০৬ সালে, এমবাপের বয়স যখন সবে আট ছুঁইছুঁই, তখন থেকেই এমবাপের স্পন্সর ছিল নাইকি। এই কোম্পানির ‘মারকিউরিয়াল’ বুট পরতেন তিনি। এখন বড় পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত ২৭ বছর বয়সী তারকা।

রানিং শু প্রস্তুতকারক হিসেবে ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে সুইস ব্র্যান্ড ‘অন’। ২০১৯ সালে তারা সহ-স্বত্বাধিকারী হিসেবে যুক্ত করে টেনিস কিংবদন্তি রজার ফেদেরারকে। ব্র্যান্ডটি এখন ফুটবল বাজারে প্রবেশ করছে এবং এমবাপের স্বদেশী গ্রেট থিয়েরি অঁরিকে তাদের ফুটবল পরিচালক হিসেবে নিয়োগের ঘোষণাও দিয়েছে।

‘অন’-এর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এমবাপে তার নতুন স্পনসরের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডরও হবেন এবং তিনি ‘অন’-এর প্রোডাক্ট টিমের সঙ্গে সরাসরি কাজ করবেন।

নাইকির সঙ্গে দীর্ঘদিনে সম্পর্ক চুকিয়ে নতুন ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার প্রেক্ষাপট ফুটে উঠল এমবাপের বিবৃতিতে।

“একসঙ্গে সম্পূর্ণ নতুন কিছু তৈরি করার সুযোগই আমাকে শুরু থেকে আকৃষ্ট করেছে 'অন'-এর প্রতি, যা আগামী দিনের খেলাধুলাকে নতুন রূপ দিতে সাহায্য করবে। আমাদের এই সৃষ্টিতে আমার অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি কাজে লাগাতে চাই আমি, উদ্ভাবনের মাধ্যমে সম্ভাবনার সীমা ছাড়িয়ে যেতে চাই এবং ফুটবলের আনন্দের প্রতি সবসময় বিশ্বস্ত থাকতে চাই। আমাদের একটি অভিন্ন স্বপ্ন আছে এবং এটি কেবল শুরু।”

সেই স্বপ্নের গল্পও শোনালেন এমবাপে। ছেলেবেলা থেকে যে ফুটবলানন্দে ডুবে থেকেছেন তিনি, সেটির স্বাদই নিতে চান প্রতিনিয়ত।

“স্বপ্ন দেখতে থাকো, ফুটবল। আমি এখনও ফুটবল খেলার স্বপ্ন দেখি। যদিও এটা শুনে আপনারা অবাক হতে পারেন, কারণ আমি তো পেশাদার ফুটবলারই! কিন্তু এটা সত্যি। এখনও আমি আমার বন্ধুদের সঙ্গে খেলার স্বপ্ন দেখি। সূর্যাস্ত পর্যন্ত খেলা। রাতের খাবার পর্যন্ত। শুধু খেলার আনন্দের জন্য খেলা, পেশা হয়ে ওঠার অনেক আগের সেই খেলা।

যতদূর মনে পড়ে, এই স্বপ্নকে অনুসরণ করে এসেছি আমি। এটিই আমাকে এখন জীবনের বড় একটি পরিবর্তনের দিকে নিয়ে গেছে। নিজেকে এখন এমন সব উদ্ভাবকদের মাঝে খুঁজে পাই, যারা আমার মতোই একই স্বপ্ন দেখে। বলের যতটা সম্ভব কাছে পা নিয়ে আসা। মানুষকে খেলার যতটা সম্ভব কাছে নিয়ে আসা। বিশ্বকে খেলার যতটা সম্ভব কাছে নিয়ে আসা।”

বিশ্ব ফুটবলের এই সময়ের এরক বড় তারকা লামিন ইয়ামালও সম্প্রতি নাইকি প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডিডাসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।