১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশ-ভারতের সাংস্কৃতিক বন্ধন সীমান্তরেখার চেয়েও পুরনো ও গভীর: প্রণয় ভার্মা

ভাষা-সাহিত্য, শিল্প-সংগীত ও উৎসবের অভিন্ন ঐতিহ্যও ধারণ করে দুই দেশ, বলেন হাই কমিশনার।

বাংলাদেশ-ভারতের সাংস্কৃতিক বন্ধন সীমান্তরেখার চেয়েও পুরনো ও গভীর: প্রণয় ভার্মা
শারদীয় দুর্গোৎসবের অষ্টমীতে মঙ্গলবার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যান ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Sep 2025, 08:50 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:23 PM

শারদীয় দুর্গোৎসবে ঢাকেশ্বরী কেন্দ্রীয় মন্দিরে গিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সাংস্কৃতিক বন্ধনের গভীরতার কথা তুলে ধরলেন ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা।

তিনি বলেছেন, “ভারত ও বাংলাদেশের রয়েছে অনন্য ও বিশেষ সম্পর্ক। দুই দেশ ইতিহাস ও ভৌগোলিকভাবে এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অভিন্ন ত্যাগের মাধ্যমে সংযুক্ত। একইসঙ্গে ভাষা-সাহিত্য, শিল্প-সংগীত ও উৎসবের অভিন্ন ঐতিহ্য ধারণ করে।

“দুর্গাপূজা তেমনই একটি অভিন্ন ঐতিহ্য। আমাদের সাংস্কৃতিক বন্ধন যে আমাদের জাতীয় সীমান্তরেখার চেয়ে অনেক পুরনো ও গভীর, এসব উৎসব সেটি স্মরণ করিয়ে দেয়। আরও স্মরণ করিয়ে দেয়, আমাদের জনগণ ও তাদের অভিন্ন ঐতিহ্য ও পারস্পরিক সম্মানের মধ্যেই আমাদের সম্পর্কের বাস্তব শক্তি নিহিত।”

দুর্গাপূজার অষ্টমীতে মঙ্গলবার স্ত্রী মানু ভার্মাকে নিয়ে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়ে পূজার্চনা করেন হাই কমিশনার।

তিনি বলেন, “দুর্গাপূজা কেবল আরাধনার উৎসব নয়, এটা সংস্কৃতি, অন্তর্ভুক্তি ও সহমর্মিতার উদযাপনও। এটা এমন একটি উপলক্ষ যখন পরিবারগুলো একসঙ্গে হয়, প্রতিবেশীরা ঐক্যবদ্ধ হয় এবং শিল্প ও সংগীত বিকশিত হয়।

“দুর্গাপূজা মন্দের উপর ভালো, অন্ধকারের উপর আলো এবং হতাশার উপর আশার বিজয়কে নির্দেশ করে। আমরা প্রার্থনা করি, দুর্গাপূজা যেন আমাদের সবার জন্য নতুন আশা নিয়ে আসে এবং আমাদের সম্পর্কের জন্য আরও উৎকৃষ্ট ভবিষ্যৎ নিয়ে আসতে উৎসাহ জোগায়।”

প্রণয় ভার্মা বলেন, “এই শুভ অষ্টমী পূজার দিনে আমি দেবী দুর্গার কাছে প্রার্থনা করি, যেন তিনি আমাদের সবাইকে প্রজ্ঞা ও করুণা দিয়ে আশীর্বাদ করেন। আমাদের উপর শান্তি, সমৃদ্ধি, সুখ এবং সম্প্রীতি বর্ষণ করেন এবং আমাদের দুই দেশ এবং আমাদের জনগণকে সংযুক্ত করে এমন বন্ধনকে লালন করার শক্তি ও সাহস দেন।”

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।